রাশিয়া বিশ্বকাপের স্টেডিয়াম পরিচিতি-১০

ক্রীড়া ডেস্ক : আর কয়েকদিন পরেই পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপের। বিশ্বকাপের ২১তম এই আসর আয়োজনের গুরুদায়িত্ব পেয়েছে বিশ্ব মানচিত্রের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নানা ভাবে তৈরি হচ্ছে দেশটি। তারই ধারাবাহিকতায় রাশিয়ার ১১টি শহরে তৈরি করা হয়েছে ১২টি স্টেডিয়াম। যার মধ্যে ছয়টি স্টেডিয়ামই তৈরি হয়েছে এই বিশ্বকাপের জন্য। বিশ্বকাপে স্টেডিয়াম নির্মাণ ও পুনঃসংস্কারে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার!

রাশিয়া বিশ্বকাপের ১২ টি স্টেডিয়াম নিয়ে ধারাবাহিকের শেষ দিনে থাকছে স্পার্তাক স্টেডিয়াম ও কালিনীগ্রাদ স্টেডিয়ামটির খুঁটিনাটি।

স্পার্তাক স্টেডিয়াম, মস্কো

রাশিয়ার রাজধানী মস্কো শহরের অপর বিখ্যাত স্টেডিয়াম হলো স্পার্তাক স্টেডিয়াম। এর অবস্থান লুঝনিকি স্টেডিয়ামের পাশাপাশি। বিশ্বকাপের জন্যই এই মাঠটি তৈরি করা হয়। প্রথমে ধারণক্ষমতা ছিলো ৩৫ হাজার। পরে বিশ্বকাপের জন্য তা বাড়িয়ে ৪২ হাজার করা হয়। এই মাঠটির নির্মান কাজে ব্যায় হয় ৪৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আসন্ন বিশ্বকাপের মহাআসরের পাঁচটি ম্যাচ হবে এই মাঠে।

স্পার্তাক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচসমূহ

১৬ জুন ২০১৮, আর্জেন্টিনা বনাম আইসল্যান্ড

১৯ জুন, পোল্যান্ড বনাম সেনেগাল

২৩ জুন, বেলজিয়াম বনাম তিউনিশিয়া

২৬ জুন, সার্বিয়া বনাম ব্রাজিল

৩ জুলাই, রাউন্ড অব সিক্সটিন

কালিনীগ্রাদ স্টেডিয়াম, কালিনীগ্রাদ

২০১৮ বিশ্বকাপে সবচেয়ে ছোট ভেন্যু হলো কালিনীগ্রাদ স্টেডেয়িাম। প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো খরচায় স্টেডিয়ামটি নির্মিত হয়েছে। বিশ্বকাপের জন্য এর আসন সংখ্যা প্রথম করা হয় ৩৫ হাজার। পরে তা বাড়িয়ে করা হয় ৪২ হাজার। তবে আসর শেষ হলেতা কমিয়ে ২৫ হাজারে নিয়ে আসা হবে।

বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের ৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কালিনীগ্রাদে। কালিনীগ্রাদ স্টেডিয়ামের আরেকটি নাম হলো নাম ‘বাল্টিকা অ্যারেনা’।

কালিনীগ্রাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচসমূহ…

১৬ জুন ২০১৮, ক্রোশিয়া বনাম নাইজেরিয়া,

২২ জুন, সার্বিয়া বনাম সুইজারল্যান্ড

২৫ জুন, স্পেন বনাম মরক্কো

২৮ জুন, ইংল্যান্ড বনাম বেলজিয়াম