রাজাপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে চলছে জরাজীর্ণ অবস্থায় কার্যক্রম!

রহিম রেজা, ঝালকাঠি থেকে : ঝালকাঠির রাজাপুরের দুটি কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের জড়াজীর্ণ অবস্থা হওয়ার কারনে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলার পুটিয়াখালি গ্রামের খায়েরহাট এলাকার কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন ও উত্তর তারাবুনিয়া গ্রামের শরীফ বাড়ি এলাকার কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের ছাদ থেকে ভিতরে বৃষ্টির পানি পরায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন। খায়েরহাট এলাকার কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি রাসেল জানান, বৃষ্টি হলেই ক্লিনিকের ছাদ দিয়ে প্রচুর পানি ভিতরে পরায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই গত সপ্তাহে ছাদের উপরে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিয়েছি। অপরদিকে ছাদ ভেঙে যে কোন সময় জীবননাশের ঘটনাও ঘটতে পারে। শরীফ বাড়ি এলাকার কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি রফিকুল ইসলাম জানান, বৃষ্টি হলেই ক্লিনিকের ছাদ দিয়ে প্রচুর পানি ভিতরে পরায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভিতরের অগভীর নলকুপটিও নষ্ট হয়ে গেছে। ভবনের সামনের রাস্তার চেয়ে ফ্লোর নিচু হওয়ায় সাধারণ বন্যার পানি ভিতরে ঢোকে। যে কোন সময় ছাদ ভেঙে পরে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো: মাহাবুবুর রহমান জানান, কোন কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি ভিতরে পরার ঘটনা আমার জানা নেই এবং আমাকে কেউ জানায়নি। রাজাপুরে ১৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন রয়েছে। এগুলো পুরানো হয়ে যাওয়ায় সরকার প্রতি অর্থ বছরে তিনটি করে পুর্ননির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনটি নতুন ভবন পুর্ননির্মাণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব ভবনগুলো পুর্ননির্মাণ করা হবে। জনবল ও ঔষধ সংকটের কথা স্বীকার করে ঝালকাঠি সিভিল সার্জন শ্যামল কৃষ্ণ হালদার জানান,
অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবন ঝুকিপূর্ণ, তার মধ্যে জেলার ২৩টির অবস্থা খুবই খারাপ। ইতোমধ্যে ৮টি ক্লিনিক সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলোই সংস্কার করা হবে।