রংপুরে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা। নির্বাচনে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা তাদের পছন্দের মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচিত করতে ভোট দিয়েছেন। নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের ১৯৩টি কেন্দ্রে এক হাজার ১২২টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়। পুরুষদের তুলনায় নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। সকালের দিকে ভোটারের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতিও বাড়তে থাকে।

সকালে নগরীর নিউ সেনপাড়া কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, একই কেন্দ্রে ভোট দেন দলের কো-চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী জিএম কাদের। সালেমা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, দেওয়ানটুলিতে ভোট দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা, আলমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা।

ভোটকেন্দ্র থেকে বের হয়ে এইচ এম এরশাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে কোনো অনিয়ম হচ্ছে না। এটা নির্বাচন কমিশনের জন্য একটা পরীক্ষা। জাতীয় নির্বাচনের আগে রংপুর সিটির এই নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’

নির্বাচনে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২১ প্লাটুন বিজিবি মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে মাঠে রয়েছেন। সাতজন মেয়র প্রার্থীসহ সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২১১ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন। ওই নির্বাচনে সরফুদ্দিন আহম্মেদ ঝন্টু মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে এক লাখ ছয় হাজার ২৫৫ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি এবার নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।