যুব বিশ্বকাপে ব্যাটে-বলে সেরা পাঁচ

ইংলিশ লিগে উড়তে থাকা লিচেস্টার সিটিকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আর্সেনাল। অবশ্য, ডিফেন্ডার ড্যানি সিম্পসনের লাল কার্ডে দ্বিতীয়ার্ধে দশজনের দলে পরিণত হয় লিচেস্টার। অন্যদিকে, ইনজুরি কাটিয়ে দশ মাস পর মাঠে ফিরেই গানারদের হয়ে জয়সূচক গোল করেন ইংলিশ স্ট্রাইকার ড্যানি ওয়েলবেক।

এ জয়ের ফলে আর্সেনালের শিরোপা জয়ের স্বপ্নটাও জিইয়ে থাকল। শীর্ষে থাকা লিচেস্টারের (২৬ ম্যাচে ৫৩) সঙ্গে গানারদের পয়েন্টের পার্থক্য দুইয়ে এসে ঠেকল। মৌসুম শেষ হতে হাতে আছে আর ১২টি করে ম্যাচ।

এমিরেটস স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের শেষদিকে আর্সেনাল নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনে। ডি-বক্স সীমানায় লিচেস্টার মিডফিল্ডার এন’গোলো কান্তেকে ট্যাকল করে হলুদ কার্ড দেখেন সেন্টার ব্যাক লরেন্ত কোসিয়েলনি। স্পট কিক থেকে ভিজিটরদের লিড এনে দেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইংলিশ স্ট্রাইকার জেমি ভার্ডি।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর ৫৪ মিনিটে অলিভিয়ের জিরুদের জার্সি টেনে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সিম্পসন। এর পাঁচ মিনিট আগেই আলেক্সিস সানচেজকে ট্যাকল করে প্রথম হলুদ কার্ডের ফাঁদে পড়েছিলেন তিনি। দশজনের দলে পরিণত হওয়া লিচেস্টারের ওপর রীতিমত আক্রমণের ঝড় তোলে আর্সেন ওয়েঙ্গারের শিষ্যরা।

বদলি হিসেবে নেমে (৬১ মিনিটে) ৭০ মিনিটের মাথায় স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান থিও ওয়ালকট। ওয়ালকটের পর নির্ধারিত সময়ের সাত মিনিট আগে মাঠে নামেন ওয়েলবেক। গত বছরের এপ্রিলের পর এবারই প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে খেলতে নামেন তিনি।

দলে ফিরেই ত্রানকর্তার ভূমিকায় হাজির হন সাবেক ম্যান্ইউ তারকা ওয়েলবেক। ইনজুরি সময়ে মেসুত ওজিলের ফ্রি-কিকে চমৎকার হেডে বল জালে জড়িয়ে গ্যালারি ভর্তি দর্শকদের উল্লাসে ভাসান ২৫ বছর বয়সী এ ফরোয়ার্ড। রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর পর প্রত্যাশিত জয়ের উচ্ছ্বাস নিয়ে মাঠ ছাড়েন ওয়েলবেক-সানচেজ-ওয়ালকট-জিরুদরা।