মিয়ানমার ও লাওসের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমার ও লাওসের নাগরিকদের ভিসা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাস করা নাগরিকদের ফেরত নিতে অনীহা দেখানোর কারণে দেশ দুটির ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলো ট্রাম্প প্রশাসন।

মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এমন তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর ভয়সে অব আমেরিকার।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাস করা নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার ও লাওসকে আহ্বান জানায় মার্কিন প্রশাসন। তবে মার্কিন প্রশাসনের ডাকে সাড়া না দেয়ায় অবশেষে ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে মিয়ানমার ও লাওসের অবৈধ অভিবাসী ফিরিয়ে নিতে বারবার বলা হয়েছে। কিন্তু দেশ দুটি যুক্তরাষ্ট্রের কথা শুনতে অনীহা প্রকাশ করেছে। এজন্য মিয়ানমার ও লাওসের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

এছাড়া, মিয়ানমার ও লাওসে মার্কিন কনস্যুলার অফিসারদের সুনির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরিতে ভিসার আবেদনের ওপর কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। এ নিষেধাজ্ঞার আওতা আরও বাড়ানো হতে পারে।

এরই মধ্যে ইয়াঙ্গুনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বি-১ ও বি-২ ক্যাটাগরির সব ননইমিগ্রান্ট ভিসা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে মিয়ানমারের শ্রম, অভিবাসন ও পপুলেশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক পর্যায় এবং এর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা।

অবৈধ অভিবাসী বিষয়ে বেশ কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বিষয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, যেসব দেশ তাদের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানাবে তাদের সাজা দেয়া হবে।

এছাড়া অবৈধ অভিবাসী বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এর বাস্তবায়ন হিসেবে দেশটির মেক্সিকো সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের গ্রেপ্তার করে তাদের সঙ্গে থাকা শিশুদের বিচ্ছিন্ন করে আলাদা জায়গায় রাখা হয়। তবে ঘরে বাইরে এ নীতি নিয়ে কড়া সমালোচনায় পড়ার পর শিশুদের বিচ্ছিন্ন করার নীতি থেকে সরে আসেন ট্রাম্প।

শিশু বিচ্ছিন্ন করার নীতি থেকে সরে আসলেও অবৈধ অভিবাসন বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

Inline
Inline