মস্তিষ্ককে সচল রাখার ৯ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক : হাত, পা বা আঙুল ভেঙে গেলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়৷ তবে মস্তিষ্ক এলোমেলো হয়ে গেলে পুরো জীবনটাই প্রায় মূল্যহীন হয়ে পড়ে৷ মস্তিষ্ককে সচল রাখার কিছু সহজ উপায় বলে দিয়েছেন গবেষকরা। সেগুলো নিয়েই এবারের প্রতিবেদন-

জোরে জোরে হাসুন

দিনে অন্তত একবার তিরিশ মিনিট প্রাণ খুলে জোরে জোরে হাসুন৷ এতে কিছু শেখা ও মনে রাখার ক্ষমতা শতকরা ৩৮ ভাগ বেড়ে যেতে পারে৷ এই তথ্যটি আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার লোমা লিন্ডা বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে৷

মাছ খান

আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক সমীক্ষা জানায়, সপ্তাহে অন্তত একদিন হেরিং, কাবেলিয়াও বা স্যামন ফিস খেলে মানুষের আইকিউ বেড়ে যায় শতকরা পাঁচ ভাগ৷ তাছাড়া আখরোট মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী৷

দিনে তিন কাপ কফি

আনুমানিক ২০০ মিলিগ্রাম বা তিন কাপ কফি পান করলে মস্তিষ্ক সচল থাকে৷ তবে কিন্তু এর চেয়ে কমও নয়, বেশি নয়৷

উপমহাদেশের মসলার রানি হলুদ

দিনে এক চা চামচ হলুদ যে কোনো সংক্রমণ থেকে মস্তিষ্ককে রক্ষা করে৷ সাধারণ মানুষ এবং ডিমেনশিয়া রোগীর স্বরণশক্তিকেও সবল করতে সহযোগিতা করে হলুদ৷

শাক-পাতা

প্রতিদিন তিন টেবিল চামচ শাক-পাতা খেলে মস্তিষ্ক সতেজ থাকে৷ শিকাগোর এক গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা গেছে৷

নেচে নেচে তরুণ থাকুন

সাম্বা, সালসা বা টাঙ্গো- যা-ই হোক না কেন, তা ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায় শতকরা ৭৬ ভাগ৷ নিউ ইয়র্কের আলবার্ট আইনস্টাইন কলেজের করা সমীক্ষা জানাচ্ছে তথ্যটি৷ বলা হয়েছে, নাচের মাধ্যমে মস্তিষ্ক অক্সিজেন এবং শক্তি পায়৷

প্রতিদিনের নিয়ম ভেঙ্গে ফেলুন

প্রতিদিন একই নিয়মে না চলে মাঝেমধ্যে একটু এদিক-সেদিক করতে পারেন৷ হঠাৎ করে একদিন অন্য চা বা কফি পান করলেন, কিংবা ডান হাতের বদলে বাঁ হাত দিয়ে দাঁত ব্রাশ করলেন৷ অর্থাৎ একটু অনিয়ম করলেন৷ এতে করে মস্তিষ্ক সজাগ থাকে৷

বাগান করা ব্রেন ফাংশন ঠিক রাখে

ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক সমীক্ষা জানায়, বাগানে মাত্র তিরিশ মিনিট কাজ করলে মস্তিষ্কে ঠিক মতো রক্ত চলাচল করে, ফলে মস্তিষ্কের অন্যান্য ফাংশনও ভালো হয়৷

আপনি কি গাড়ি চালান?

একদিন নেভিগেটার ছাড়া একটি অপরিচিত জায়গায় ড্রাইভ করে চলে যান, আবার ঠিক সেভাবেই বাড়িতে ফিরে আসুন৷ এতে নাকি মস্তিষ্কের পুরনো কোষগুলো সজাগ হয়ে ওঠে৷