মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে শাহজাহান কামাল

মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন লক্ষ্মীপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এ কে এম শাহজাহান কামাল।

টানা দুইবার ক্ষমতায় আসার পর এবারই প্রথম আওয়ামী লীগ থেকে মন্ত্রিসভায় স্থান পাচ্ছেন লক্ষীপুরের কোনো সংসদ সদস্য।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাহজাহান কামালকে বঙ্গভবনে যেতে বলা হয়েছে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনেই হয়ে থাকে।

জানতে চাইলে শাহাজাহান কামাল বলেন, ‘আমাকে ডাকা হয়েছে। আগামীকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বঙ্গবভনে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।’

এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য ডাক পেয়েছেন। এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে তিনি এই দায়িত্ব পেতে চলেছেন।

এছাড়াও মন্ত্রিসভায় আরও নতুন মুখ যুক্ত হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। তবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ছাড়া আর কারও বিষয় নিশ্চিত করেননি।

২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা টানা দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত সরকারে নতুন মুখ বা দপ্তর পরিবর্তন হয়েছে তিন দফা।

২০১৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এইচ মাহমুদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নজরুল ইসলামকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।

প্রায় দেড় বছর পর ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় যোগ হয় নতুন পাঁচ মুখ। প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হন একজন।

সেদিন আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি তার আগের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই দায়িত্ব পালন করছেন।

একই দিন মন্ত্রী হিসেবে আরও শপথ নেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারানা হালিম (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) এবং নুরুজ্জামান আহমেদ (খাদ্য)।

এরপর মন্ত্রিসভায় আরও একটি রদবদল হয়। সেটি চমকের তৈরি করে দেশজুড়ে। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে সৈয়দ আশরাফকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়। একই দিন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বদলে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। এক সপ্তাহ পর সৈয়দ আশরাফ পান তার নতুন মন্ত্রণালয় জনপ্রশাসন।

চলতি বছরের ৮ মে এবং ১৮ জুলাই সচিবালয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মন্ত্রিসভায় রদবদলের আভাস দেন। সে সময় এ নিয়ে বেশ তোলপাড় হলেও পরে আলোচনা থেমে যায়।

Inline
Inline