মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : মন্ত্রিসভায় একটা রদবদল হতে পারে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে এটা কখন হবে সেটা বলা যাবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর সেতু ভবনে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেন।২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি হাসিনার নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা টানা দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণের পর এখন পর্যন্ত সরকারে নতুন মুখ বা দপ্তর পরিবর্তন হয়েছে তিন দফা।২০১৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি এইচ মাহমুদ আলীকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং নজরুল ইসলামকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।প্রায় দেড় বছর পর ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় যোগ হয় নতুন পাঁচ মুখ। প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হন একজন।সেদিন আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি তার আগের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই দায়িত্ব পালন করছেন।একই দিন মন্ত্রী হিসেবে আরও শপথ নেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারানা হালিম (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) এবং নুরুজ্জামান আহমেদ (খাদ্য)।এরপর মন্ত্রিসভায় আরও একটি রদবদল হয়। সেটি চমকের তৈরি করে দেশজুড়ে। ২০১৫ সালের ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে সৈয়দ আশরাফকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করা হয়। একই দিন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বদলে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। এক সপ্তাহ পর সৈয়দ আশরাফ পান তার নতুন মন্ত্রণালয় জনপ্রশাসন।গত ৮ মেও সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রিসভায় রদবদলের কথা জানিয়েছিলেন কাদের। প্রায় আড়াই মাস পর একই বিষয়ে কথা বলেন তিনি।কাদের বলেন, ‘মন্ত্রিসভায় রদবদল আসবে কি না, তা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। তবে মন্ত্রিসভায় একটা রদবদল হতে পারে। রদবদল কখন হবে, তা বলতে পারব না।’
‘এটা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার.. কাকে তিনি রাখবেন, কাকে বাদ দেবেন অথবা এই মুহূর্তে একটা রিশাফল করবেন কি না? তবে একটা রিশাফল বোধ হয় হতে পারে। তবে কোন সময় হবে, কী হবে, সেটা আমি ঠিক জানি না। একটা রিশাফল হতে পারে।’উপপ্রধানমন্ত্রীর পদ সৃষ্টি করার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ গুজব। এ রকম কোনো পদের কথা আমার জানা নেই।’আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ নিয়ে বিএনপির হতাশা ব্যক্তের পর এটা সংশোধন করা হবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের, ‘নির্বাচন কমিশন দেশের নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের মতামত নেবেন। এরপর সেটা সংশোধন কিংবা সংযোজন করা যায় কিনা সেটা নির্বাচন কমিশনই দেখবে।’