ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের বিষয়ে কোনো আপোস করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৫ এপ্রিল, ২০১৮ : ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের বিষয়ে কোনো ধরনের আপোস করা হবে না বলে পুনরায় সতর্ক বার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।
তিনি বলেন, ওষুধের সঠিক মানের সঙ্গে মানুষের জীবন মরণের প্রশ্ন জড়িত। যারা ভেজাল ওনিম্নমানের ওষুধ সরবরাহ ও বিক্রি করে তারা কোনভাবেই ওই ওষুধ খেয়ে কোন রোগীর মৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না। ভেজালমুক্ত ও মান সম্পন্ন ওষুধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে সরকার সব সময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
মোহাম্মদ নাসিম বুধবার রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মডেল ফার্মেসি উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, যে প্রতিষ্ঠান ভালো মানের ওষুধ তৈরি করছে, তাদেরকে সরকার সব সময় পৃষ্ঠপোষকতা করবে। আর যারা মানহীন ও ভেজাল ওষুধ তৈরি করে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানের ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টির সদস্য এম এ হাসেম, উপ-উপাচার্য(দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. গিয়াস ইউ আহসান, ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাসান মাহমুদ রেজা, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মোক্তাদির, ফার্মেসী কাউন্সিল অব বাংলাদেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট এম মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এক সময় বাংলাদেশ বাইরের দেশ থেকে ওষুধ আমদানি করতো। কিন্ত্রু আজ আমাদের ওষুধ শিল্প দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে ১৫১টি দেশে ওষুধ রফতানি করছে। গত প্রায় ৯ বছর ধরে সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার কারণে বাংলাদেশের ওষুধ খাত রফতানি বাড়িয়ে দেশের অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রেখে চলেছে। আমাদের ওষুধ আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন বলেই বিশ্ববাজারে এই অবস্থান অর্জন করতে পেরেছে।
দেশে মডেল ফার্মেসির গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ কোম্পানীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। পরিদর্শন টিমের প্রতিবেদন অনুযায়ী ইতোমধ্যে অভিযুক্ত অনেক ওষুধ কোম্পানী বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ বিক্রির দায়ে অভিযুক্ত ফার্মেসিগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এমন অভিযান সব সময় চালু থাকবে।