ভারতীয় গরু ও মহিষ ফেলে পালাল চোরাকারবারীরা

হাবিবুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার চাকুলিয়া সীমান্ত এলাকা থেকে ছয়টি ভারতীয় গরু ও তিনটি মহিষ জব্দ করেছে বিজিবি। বুধবার রাত সাড়ে ৩ টার দিকে এই গরু ও মহিষ পরিত্যক্ত অবস্থায় জব্দ করা হয়।

জব্দকৃত গরু ও মহিষের মূল্য নয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। এই চোরাকারবারীর সাথে জড়িত সন্দেহে ১৪ জনের নামে মামলা করেছে বিজিবি।

এরা হলো- চাকুলিয়া গ্রামের আরাফাত হোসেনের ছেলে সহিদ মিয়া(২৪), সাদেক হোসেনের ছেলে জসিম উদ্দিন(২৬), ছালে আহমদের ছেলে বাবুল মিয়া(২৮), কুদ্দুস আলীর ছেলে কামাল হোসেন(২৭), আবু তাহেরের ছেলে গনি মিয়া(২৮), দৌলত খানের ছেলে মকবুল মিয়া(২৫), হাসেম আলীর ছেলে সম্রাট(২৮), মিজানুর রহমানের ছেলে আমানউল্লাহ(২৪) ও ঠাকুরপর গ্রামের কবীর হোসেনের ছেলে আলমগীর(২৮), আলমগীর হোসেনের ছেলে কামরুল(২৬), আসাদুলের ছেলে ওয়াহিদ(২৪), আজাদ আলীর ছেলে জসিম উদ্দিন(২৬), ফজলু মিয়ার ছেলে আরিফ(২৫) ও কবীর মিয়ার ছেলে আশেদ আলী(২৪)।

চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক ইমাম হাসান জানান, মঙ্গলবার দিনগত রাতে দামুড়হুদা উপজেলার ঠাকুরপুর বিওপির টহল কমান্ডার হাবিলদার একরামুল হক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে চাকুলিয়া সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় গরু ও মহিষ আসছে।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সিমান্ত এলাকায় ওৎ পেতে থাকে। বুধবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে চাকুলিয়া সীমান্তের মেইন পিলার ৮৮ থেকে ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুলিয়া মাঠে গরু ও মহিষ প্রবেশ করলে চোরাচালানীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। এসময় বিজিবি তাদেরকে আটক করতে না পারলেও ৬টি গরু ও ৩টি মহিষ পরিত্যাক্ত অবস্থায় জব্দ করে।

ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে হাবিলদার একরামুল হক বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ্য করে দামুড়হুদা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছে। এই গরু ও মহিষের আনুমানিক মূল্য নয় লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা। জব্দকৃত গরু ও মহিষ দর্শনা কাষ্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।