ভর্তি পরীক্ষার ফল নিয়ে প্রতারনায় নেমেছে খুলনার সেলিম স্যারের ব্যাচ নামক কোচিং সেন্টার

খুলনা সংবাদদাতা : সরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কোচিং সেন্টারের মালিকরা অভিনব প্রতারণা শুরু করেছেন। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিশু শিক্ষার্থীদের ছবি দিয়ে সমগ্র নগরীতে পোস্টার প্যানায় ছেয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের নামে। স্ব স্ব কোচিং সেন্টার থেকে ভর্তি সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীদের নামের তালিকা লম্বা করতে কেউ কেউ ভর্তির সুযোগ পায়নি এমন শিক্ষার্থীর ছবিও ছাপছে। এভাবে সুনাম বাড়াতে এবং অভিভাবকদের আকৃষ্ট করতে প্রতারণার মাধ্যমে এরা নিজেদের ফায়দা লুটছেন ।
প্রকাশ,নগরীর ৪০, শের-এ বাংলা রোড আমতলায় সেলিম স্যারের ব্যাচের একটি পোস্টারে এ ধরনের প্রতারণার চিত্র দেখা গেছে। পোস্টারে রয়েছে খুলনা সরকারি জিলা ও করোনেশন স্কুলে ২০১৮ সালের ৩য় শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া ২৭ জন শিশু শিক্ষার্থীর ছবিসহ নাম। পোস্টারের ও ওই ব্যাচের মালিকের ভাষ্যমতে এরা ২৭ জনই উত্তীর্ণ হয়েছে। কিন্তু সেলিম স্যারের ব্যাচের মালিক মোঃ সেলিম নিজের কোচিং সেন্টারে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের তালিকা লম্বা করতে চান্স না পাওয়া শিশুদের ছবি ও নাম ওই পোস্টারে দিয়ে কোমলমতি শিশুদের সাথে প্রতারণা করেছেন।
জানা গেছে, সেলিম স্যারের ব্যাচের ওই পোস্টারে কানিজ ফাতিমা জুঁই নামের একজন শিশু শিক্ষার্থীর ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু ওই শিশু ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি। কিন্তু কেন ওই শিশুটির ছবি নাম ব্যবহার করেছে কোচিং সেন্টারের মালিক তা জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন।
শিশুটির বাবা সোনাডাঙ্গাস্থ বসুপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, পোস্টার দেখে গত জানুয়ারি মাসে আমার মেয়েকে সেলিম স্যারের ব্যাচে ভর্তি করাই। গত ১৯ ডিসেম্বর আমার মেয়ে জুঁই রোল নং-৩২০০৭৩৪ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরবর্তিতে রেজাল্টে দেখা গেছে সে উত্তীর্ণ হয়নি। কিন্তু ওই কোচিং সেন্টারের মালিক কেন বা কোন উদ্দেশ্যে উত্তীর্ণদের তালিকার মধ্যে আমার মেয়ের ছবি নাম ব্যবহার করছেন তা বুঝতে পারছিনা।
এ বিষয়ে ব্যাচের মালিক এস এম সেলিম আহমেদের সাথে যোগাযোগ করতে তার কোচিংএ গেলে তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।