বেনাপোলে ধর্ষণের পর ধর্ষিতার আত্মহত্যা

এস এম মারুফ, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের বেনাপোলের বড় আচড়া গ্রামে সোনামণি নামের এক যুবতীকে ধর্ষণের পর ধর্ষিতা নিজ ঘরে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠলেও তা অনেকে রহস্যজনক মৃত্যু বলে ধারণা করছেন ।
ধর্ষিতা- সোনামণি (১৭) সে যশোরের মণিরামপুর থানাধীন মাদরা গ্রামের মহিউদ্দিনের মেয়ে।
অভিযুক্ত – বর্ষা (১৯) সে বড় আচড়া গ্রামের
শহিদুল ইসলামের ছেলে, শফিকুল ইসলামের ছেলে রাকিব (১৯) ও সাগর হোসেনের ছেলে সাব্বির (১৮)।
জানা যায়, ধর্ষিতা (সোনামণি) সে তার বোনের ভাড়া বাড়িতে একই সাথে বসবাস করেন। এবং তার বোনের বাচ্চাকে দেখাশুনা করে। শুক্রবার দুপুরে তার বোন মর্জিনা তাকে বাড়িতে না পেয়ে আশে পাশে খোঁজাখুঁজি করে। অবশেষে দেখতে পাই শহীদের বাড়ি থেকে বের হতে। সে তার বোনকে জিজ্ঞাসা করলে সে কোন উত্তর না দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। এতে তার বোন মর্জিনা তাকে বকাবকি করলে সে স্বীকার করে বর্ষা তাদের লোকশূন্য নিজ বাড়িতে নিয়ে বর্ষা, রাকিব ও সাব্বির তিনজন মিলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ বিষয়টি কয়েকজনের কানে পৌঁছালে তারা বিভিন্ন কথাবার্তা বললে সে মান- ইজ্জত ও লোক লজ্জার ভয়ে রাতে নিজ ঘরেই সে আত্মহত্যা করে।
অভিযুক্ত বর্ষার বাড়ি গিয়ে দেখা যায় তাদের ঘরের মেইন গেটে তালা ঝোলানো। এবং অপর আরও দু’জন সাব্বির ও রাকিব সহ তিন জনই পলাতক আছে।
এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুন খান বলেন, মেয়েটি ধর্ষণ হয়েছে কিনা এখনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তাকে পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারের রিপোর্ট পেলেই জানা যাবে মেয়েটির ধর্ষণ হয়েছে কিনা। যদি মেয়েটির ধর্ষণ হয়ে থাকে তাহলে ধর্ষকদের খুঁজে বের করা হবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি জানান।