বিপুল অপরিপক্ক আম ও নষ্ট খেজুর ধ্বংস করল র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক : রমজান শুরু হতেই অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজারে নিয়ে আসতে শুরু করেছেন মানহীন খেজুর। আম পাকার প্রকৃত সময়ের আগেই বিক্রি শুরু করছেন রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম। তবে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সেসব ফল সাধারণ ক্রেতা পর্যন্ত পৌঁছাতে দেয়নি র‌্যাব। সংস্থাটির জালে ধরা পড়ে যায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর অতিলোভী পাইকারি ফল মজুদদাররা।

বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ীর ফলের আড়তে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় ইথোফেন দিয়ে পাকানো অপরিপক্ক এক হাজার মণ আম ও চল্লিশ মণ নষ্ট খেজুর ধ্বংস করা হয়। একইসঙ্গে নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম।

তিনি জানিয়েছেন, রাসায়নিক দিয়ে পাকানো অপরিপক্ক ১ হাজার মণ আম ও চল্লিশ মণ নষ্ট খেজুর জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়। পরে এই ঘটনায় জড়িত নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেয়া পোস্টে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম বুলডুজার দিয়ে ধ্বংস করা বিপুল আমের ছবি দিয়ে লেখেন, ‘আহা এতগুলো আম নষ্ট করতে হলো ভাবতেই মনটা খারাপ হয়ে যায়। সৃষ্টিকর্তার ভাল এক নেয়ামত হলো ফল কিন্তু আমাদের নিজেদের অপকর্ম আর লোভের কারণে সে নেয়ামত নষ্ট হয়ে যায়। প্রত্যেকটি ফলই প্রাকৃতিকভাবে পাকবে এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু আমাদের কিছু ব্যাবসায়ী সেটি মানতে নারাজ। তারা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করে অপরিপক্ক ফল জোর করে পাকিয়ে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য সমূহ বিপদ ডেকে আনছে।
তিনি আরো বলেন, ‘যাত্রাবাড়ী ফলের আড়তে ইথোফেন দিয়ে অপরিপক্ক ফল পাকানোর দায়ে র‌্যাব-১০, বিএসটিআই ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এর যৌথ সহযোগিতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেন এবং জব্দ করা এক হাজার মণ আম ও ৪০ মণ নষ্ট খেজুর ধ্বংস করা হয়েছে।’