বিতর্কিত শোভনকে ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ পদে নিতে দৌঁড়ঝাপ

ডেস্ক রিপোর্ট : ছাত্রলীগের ২৯ তম সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী রেজয়ানুল হক চৌধুরী শোভন গতবছর মাদকসেবন করা অবস্থায় শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে অাটক হয়েছিলেন। বিতর্কিত এই ছাত্রনেতাকে সভাপতি করতে বিশেষ একটি মহল তৎপর হয়ে উঠেছে বলে শোনা যাচ্ছে।

শোভন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিতে গত ৮ বছর অাগে জড়িত ছিল। কিন্ত অতিরিক্ত মাদকসেবনের কারণে রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়েন। তাকে বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা জেলা পর্যায়ের কোন নেতা কিংবা কর্মী তাকে চিনেন না এমনকি এই ছাত্রনেতার নিজজেলা কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ কোন নেতাকার্মী তাকে চিনেনই না। অথচ রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকা এই ছাত্রকে শুধুমাত্র পারবারিক পরিচিতির কারণে ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ পদে নিতে একটি বিশেষ মহল দৌঁড়ঝাপ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।




উল্লেখ্য তার নামে ৭ জুলাই ২০১৭ তারিখে প্রথম সারির জাতীয় পত্রিকা কালের কন্ঠে তার মাদকসেবন করা অবস্থায় অাটকের সংবাদ পরিবেশিত হয়।


উক্ত সংবাদে বলা হয়, সন্ধ্যার পর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আটককৃতরা সেখানে প্রবেশ করে মাদক সেবন করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গোলাম রাব্বী রেজোয়ানুল হক চৌধুরী শোভন সহ ২৬ জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে।


আটককৃতদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন হলেন সংগীত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র সুজন সরকার (মুহসীন হল, রুম নম্বর ৩২৯), বাংলা বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র আনোয়ার হোসেন (মুসহসীন হল- ৪(খ)), উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আরিফুল ইসলাম (অমর একুশে হল- ৪১৯) এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ইনস্টিটিউটের মাস্টার্সের ছাত্র ফয়সাল হক (শহীদুল্লাহ হল)।


এছাড়াও হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মু. ফজলে রাব্বী ভূঁইয়া।


আটক বাকী ১৯ জনের কেউ ছাত্র নয় বলেও শাহবাগ থানার একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।