বছরের শুরুতেই রিয়ালের হোঁচট

গত বছরটা ভালো কাটেনি রিয়াল মাদ্রিদের। নতুন বছরের শুরুটাও ভালো হলো না রাফায়েল বেনিতেজের দলের, হোঁচট খেয়েছে বছরের প্রথম ম্যাচেই। লা লিগায় ভ্যালেন্সিয়ার সঙ্গে দুই-দুইবার এগিয়ে গিয়েও ২-২ গোলে ড্র করেছে ‘লস ব্লাঙ্কোস’রা।

২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি বছরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে এই ভ্যালেন্সিয়ার মাঠেই ২-১ গোলে হেরে গিয়েছিল রিয়াল। ২০১৬ সালেও ঠিক ৪ জানুয়ারিতেই বছরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সেই ভ্যালেন্সিয়ার মাঠে হোঁচট খেল তারা।

এ নিয়ে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে টানা চার ম্যাচে জয়বঞ্চিত রিয়াল। যার তিনটি ম্যাচেরই স্কোরলাইন ২-২। অন্যটিতে তো রিয়াল ২-১ গোলে হেরেই যায়। আর ভ্যালেন্সিয়া ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর বার্সেলোনার কাছে হারের পর থেকে ঘরের মাঠে অপরাজিত।

রোববার রাতে ম্যাচের ১৬ মিনিটেই রিয়ালকে এগিয়ে দিয়েছিলেন করিম বেনজেমা। গোলটি ছিল দারুণ দলীয় প্রচেষ্টারই ফল। বেনজেমা ভ্যালেন্সিয়ার এক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে বল বাড়ান গ্যারেথ বেলকে। বেল আবার ব্যাকহিল করেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। আর পর্তুগিজ তারকার পাস থেকে বল পেয়ে জালে জড়িয়ে দেন ফরাসি স্ট্রাইকার বেনজেমা।

এরপর প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে রিয়ালের পর্তুগিজ ডিফেন্ডার পেপে প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার আন্দ্রে গোমেজকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ভালেন্সিয়া। আর পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বাগতিকদের সমতায় (১-১) ফেরান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ড্যানিয়েল পারেজো।

দ্বিতীয়ার্ধের ৬৮ মিনিটে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা খায় রিয়াল। ভ্যালেন্সিয়ার ডিফেন্ডার জোয়াও কানসেলোকে বাজেভাবে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন রিয়ালের মিডফিল্ডার ম্যাটেও কোভাসিচ। যদিও এক জন কম নিয়ে খেলেও ৮২ মিনিটে বেলের গোলে ফের এগিয়ে (২-১) যায় রিয়াল। জার্মান মিডফিল্ডার টনি ক্রুসের ফ্রি-কিকে হেড করে বল জালে জড়ান ওয়েলসের এই মিডফিল্ডার।

অবশ্য এগিয়ে যাওয়ার স্বস্তি এক মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়নি অতিথিদের। স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড পাসো আলকাসের গোলে ২-২ সমতা ফেরায় স্বাগতিকরা। বাকি সময়ে রিয়াল কয়েকটি কর্নার পেলেও আর গোল করতে পারেনি। ফলে ড্রয়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় রোনালদো-বেল-বেনজেমাদের।

এ ড্রয়ের পর ১৮ ম্যাচে রিয়ালের পয়েন্ট হলো ৩৭। সমান ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। এক ম্যাচ কম খেলে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে বার্সেলোনা।

Leave a Reply

Inline
Inline