পৌ​র নির্বাচন: সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযানের কথা ভাবছে কমিশন

আসন্ন পৌ​র নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কাল শনিবার আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে নিরাপত্তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে নির্বাচনী এলাকায় চিহ্নিত অপরাধী, চাঁদাবাজ, মাস্তান, অস্ত্রবাজ ও সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযান চালানোর কথাও ভাবছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে ভোট সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকায় অননুমোদিত যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, লাইসেন্সধারী বৈধ অস্ত্র জমা নেওয়া এবং ভোটের আগের দিন বহিরাগতদের নির্বাচনী এলাকা থেকে চলে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার নির্দেশনা থাকবে এ বৈঠকে।

কমিশনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটের আগে-পরে ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন।

শনিবারের বৈঠকে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশ, বিজিবি, আনসার, এনএসআই, ডিজিএফআই, ডিবি ও কোস্টগার্ডসহ সব বাহিনীর প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকের কার্যপত্র অনুযায়ী পৌরসভা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে না। তবে ভোটের দিন ও ভোটের আগে পরে মোট চার দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে পৌর এলাকায় বিজিবি মোতায়েনের প্রস্তাব করবে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি তাদের প্রস্তাবে ভোটের দিন বেশিসংখ্যক বিজিবি ও র‍্যাব সদস্য মোতায়েনের কথা ভাবছে কমিশন।

ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, আনসার-ভিডিপি ও ব্যাটালিয়ন, আনসার মোতায়েন করা এবং মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন, কোস্টগার্ড ও পুলিশ সদস্য নিয়োজিত করার প্রস্তাব করবে কমিশন।

৩০ ডিসেম্বর ২৩৪ পৌরসভায় ভোট হবে। এতে ২০টি দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মেয়র পদে ৯২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে লড়াইয়ে আছেন ১১ হাজারের বেশি প্রার্থী। নির্বাচনে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ভোটকেন্দ্র থাকবে। এসব পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা প্রায় ৭১ লাখ। ইতিমধ্যে অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থী পৌরসভায় সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে সেনা মোতায়েন চাওয়া হয়নি।

ওসি বদলির নালিশ:
আইনশৃঙ্খলা বৈঠককে সামনে রেখে কয়েকটি এলাকা থেকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাকে বদলি করতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন এসেছে।

কমিশন সূত্র জানিয়েছে, ছেংগারচর পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে চাঁদপুরের মতলব থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একজন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

Leave a Reply