পেশাকে ভালোবাসুন বেনিফিট পাবেন: ড. এম মোশাররফ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : বীমা পেশাকে সম্মানের পেশা উল্লেখ করে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)’র সদস্য ড. এম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, পেশাকে ভালোবাসুন বেনিফিট পাবেন। দেশ উপকৃত হবে। আপনিও আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।
সোমবার জেনিথ ইসলামী লাইফের বর্ষ সমাপনী সম্মেলনের সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি মুক্তিযোদ্ধা ফরিদুন্নাহার লাইলী।এতে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানির সিইও এস এম নুরুজ্জামান।
মোশাররফ হোসেন বলেন, ব্যাংকে চাকরি করে গাড়ি পেতে অনেক কষ্ট করতে হয়। বীমা পেশায় তুলনামূলক কম পরিশ্রমে নিজের গাড়ি পাওয়া যায়। বীমা পেশা সম্মানের পেশা। আপনি আপনার পেশাকে ভালোবেসে কাজ করুন। এতে কোম্পানি লাভবান হবে। দেশের অর্থনীতি উপকৃত হবে। আপনিও আর্থিকভাবে উপকৃত হবে।
তিনি বলেন, বীমা ব্যবসায় মূলধন লাগে না। এটা মূলত জ্ঞানের বিষয়, প্রযুক্তিগত বিষয়। এখানে কমিটমেন্টের প্রয়োজন আছে। অন্য সব ব্যবসাতেই মূলধনের প্রয়োজন আছে। আমাদের বুঝতে হবে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্যই বীমা। বীমা খাতের ইনহেরেন্ট বেনিফিট পুরো সমাজ ভোগ করে।
বীমা কর্মীদের উদ্দেশ্যে ড. এম মোশাররফ হোসেন বলেন, আপনাদের ব্যবসায়িক অবস্থা দেখে মনে হয় প্রত্যাশা থেকে পিছিয়ে আছেন। আপনাদের প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় যারা রয়েছেন তাদের ব্যবসায়িক সফলতা দেখে আপনাদের অনুপ্রাণিত হওয়া উচিত।
তিনি আরো বলেন, নিজেরদের শক্তি ও দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। নিজেদের দুর্বলতা ও চ্যালেঞ্জগুলোও আমাদের জানতে হবে। সে অনুযায়ী আমাদের পরিকল্পনা নিয়ে দুর্বলতাগুলো দূর করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
মোশাররফ হোসেন বলেন একজন গ্রাহক যখন ভালো সেবা পেয়ে থাকেন তখন তিনি একজন ভালো গ্রাহক হন। আর ভালো গ্রাহকই কোম্পানির বা কর্মীর ব্যবসা বাড়াতে সাহায্য করে। অন্যদের কাছে সেই কোম্পানির সুনাম তুলে ধরেন তারা।
জেনিথ ইসলামী লাইফে উইমেন উইং খোলার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছ থাকেন। তাছাড়া ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের মিস সেলিং কম হয়। এসব ব্যবসা টিকে থাকে না। যা কোম্পানির জন্য খারাপ। তাছাড়া মেয়ে কর্মীরা মেয়েদের ভালোভাবে বোঝাতে পারেন।
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য ড. এম মোশাররফ হোসেন বলেন, বীমা কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল বাড়ানোর জন্য আমরা কাজ করছি। এ জন্য ব্যাংকাস্যুরেন্স চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আমরা কাজ করছি।