পেপারলেস বাণিজ্যে কমবে সময় শ্রম ও ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : পেপারলেস বাণিজ্যে ব্যয় হ্রাস পাবে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘বিশ্ববাণিজ্য যখন ডিজিটাল পদ্ধতিতে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আমাদের পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। পেপারলেস বাণিজ্যে সময়, শ্রম ও ব্যয় হ্রাস পাবে এবং কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।’মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ক্রস বর্ডার পেপারলেস ট্রেড ফেসিলিটেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) কর্মশালার আয়োজন করে।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাণিজ্য পরিচালনা করলে আমদানি-রপ্তানিতে খরচ কমে যাবে বর্তমানের তুলনায় ১৭ থেকে ৩১ শতাংশ। সময় বাচবে ২৪ থেকে ৪৪ শতাংশ। ব্যবসাও সহজ হবে।’তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘স্বাধীনতার পর আমাদের জনসংখ্য ছিল সাড়ে সাত কোটি, সেসময় খাদ্যে ঘাটতি ছিল। কিন্তু এখন এর দ্বিগুণ জনসংখ্য হলেও খাদ্যে ঘাটতি নেই। বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে জিলিটাল মধ্যআয়ের দেশ হবে। আমরা এ বছর ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। ২০২১ সালে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগুচ্ছি।’অনুষ্ঠানে বিজিএমইএর পক্ষে মো. কামাল হোসেন ডিজিটাল আইটি ইন্ডাস্ট্রি করার মত দেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল করতে হলে আমাদের সাইবার নিরাপত্তার কথা ভাবতে হবে। আর এর জন্য প্রয়োজন আইটি ইন্ডাস্ট্রি।সাবেক সচিব মর্তুজা রেজা চৌধুরী বলেন, আমাদের পেপারলেস (ডিজিটাল) কাজের জন্য পাঁচটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। আমরা কতটুকু সক্ষম, ব্যয় কেমন হবে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কী থাকবে, বিভিন্ন বিভাগে কাজের সমন্বয় আছে কি না ও সর্বোপরি এর জন্য আমাদের ওয়াদাবদ্ধ হতে হবে যে, হ্যাঁ আমরা পেপারলেস পদ্ধতিতে যেতে চাই।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইন্ডাস্ট্রির ডিরেক্টর অমিতাভ চক্রবর্তী প্রেজেন্টেসনের মাধ্যমে পেপারলেস ব্যবসার সুবিধা তুলে ধরেন।বিএফটিআই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান, বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু,ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মুসফিকা ইকফাত, প্রধান নিয়ন্ত্রক (আমদানি ও রপ্তানি) ফিরোজা খান, সাবেক সচিব সোহেল আহমেদ, সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।