পলাশবাড়িতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে ইফতার সামগ্রী

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা সংবাদদাতা : রমজানের এই সময়ে প্রতিদিন বিকেল হতে না হতেই পলাশবাড়ি উপজেলার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে বিক্রি হচ্ছে রকমারি ইফতার। অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে বিক্রি করা এসব ইফতারের মান নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট প্রশ্ন। বিশেষ করে এসব খাদ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক কেমিক্যাল ও রংয়ের অবাধ ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রোজাদাররা।
সড়কের পাশে ধুলাবালির মধ্যে খোলা জায়গায় বিক্রি হওয়া এসব ইফতার সামগ্রী খেয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এ বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকেরা। পলাশবাড়ি সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়কে এবার ইফতারি আয়োজনের পসরা সাজিয়ে দোকান বানিয়ে অস্থায়ী ভাবে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করতে দেখা গেছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে দোকানের পেছনে এসব ইফতার সামগ্রী তৈরী করা হচ্ছে। এছাড়া এসব ইফতার সামগ্রীতে বিভিন্ন রকমের রাসায়নিক কেমিক্যাল, কস্টিক সোডা ও বেসন ব্যবহার করছে। আর ভোক্তাদের আকৃষ্ট করতে জিলাপি, বেগুনি, পেঁয়াজুসহ বিভিন্ন সামগ্রীতে এসব ক্ষতিকারক উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে দেদার্চে।
উপজেলার বেশ কিছু হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেল, বেশিরভাগ ইফতারের দোকান বসেছে খোলা জায়গায়। টেবিলের ইফতার সামগ্রীতে ব্যবহার করা হচ্ছে না কোনো ঢাকনা। ফলে এসব খাবারে মাছি বসছে। ধূলা-বালিও জেঁকে বসছে সামগ্রীতে। তবে এসব ইফতার সামগ্রীর দাম নিয়েও রয়েছে রোজাদারদের অভিযোগ।
আর দামের বিষয়ে বলেন, সব কিছুর দাম বাড়তি। এ কারণে ইফতার সামগ্রীর দামও বেড়েছে।
স্থানীয় রোজাদার ব্যক্তি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যার একেএম মোকছেদ চৌধুরী বলেন, সড়কে রীতিমতো ধুলাবালির রাজত্ব। অথচ সেখানেই উন্মুক্ত স্থানে বসানো হচ্ছে ইফতার সামগ্রীর পসরা। তাই এসব দোকানীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
ভোক্তাদের দাবী প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব নোংরা ইফতার তৈরী কারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি না দেওয়া হলে, শিশু সহ বয়স্কদের পেটের পিড়াসহ নানা জটিল রোগে ভোগার সম্ভাবনা রয়েছে।

Inline
Inline