নোয়াখালীতে প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ ১০

নোয়াখালী সংবাদদাতা : নোয়াখালীর সদর উপজেলার ১৯নং পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নে পূর্বশত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় অন্তত ১০জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে নোয়ারহাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন, পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের চরকাউনিয়া গ্রামের আবুল পাতা ভূঁইয়ার ছেলে সহেল (৩০), সজিব (২৮), শরিফ (২৪), দুলাল ব্যাপারীর ছেলে ফারুক (২৬), সাহাব উদ্দিনের ছেলে সুজন (২৫), শাহ আলমের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (২৯), আমিন উল্যার ছেলে মানিক (৩০), আবু জাহেরের ছেলে আকরাম হোসেন (৩২), আব্দুল মননাছের ছেলে হারুন (২৪) ও ওলি উল্যার ছেলে রিয়াদ হোসেন (২৫) ।

স্থানীয়রা জানায়, ২০১৭ সালে সেপ্টেম্বর মাসে চরকাউনিয়া গ্রামের মোকাররম ভূঁইয়ার ছেলে একাধিক মামলার আসামি ফয়সাল হোসেনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দুই মাস আগে তিনি ছাড়া পেয়ে এলাকায় আসেন। তাকে গ্রেপ্তারে স্থানীয় ইট ব্যবসায়ী সোলায়মানের সহায়তা ছিল এমন ধারণায় দুই দফায় সোলায়মান ও তার বন্ধু ফারুকসহ কয়েকজনের উপর হামলা চালিয়ে জখম করে। পরে এ ঘটনায় পুনরায় ফয়সালের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

এ মামলায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনের থাকার পর শনিবার রাতে ফয়সাল ও তার লোকজন নোয়ারহাট সংলগ্ন আহত সজিবের বাবা আবুল ফাতাহ ভূঁইয়ার মুরগি খামারকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

গুলির শব্দ শুনে আবুল ফাতাহর ছেলে সহেল, সজিব ও শরিফসহ স্থানীয় লোকজন সেখানে গেলে রাস্তার পাশে ওৎ পেতে থাকা ফয়সাল ও তার সহযোগীরা তাদের লক্ষ্য করে পুনরায় এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়লে ১০ জন গুলিবিদ্ধ হয়। গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সুধারাম মডেল থানার পুলিশ-পরিদর্শক (তদন্ত) শাহেদ উদ্দিন চৌধুরী জানান, পারিবারিক ও পূর্ব শক্রতার বিরোধের জের ধরে ফয়সাল এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকদিন পূর্বে হামলার ঘটনায় ফয়সালের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছিল। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযুক্ত ফয়সালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।