নির্বাচনী বছরে নতুন উদ্যোগ নেওয়া যায় না: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা : নির্বাচনের বছরে পুরাতন ইস্যুতে কাজ করতে হয় জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘নির্বাচনী বছরে নতুন উদ্যোগ নেয়া যায় না। এবার (বাজেটে) আগের নেয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নই মূল উদ্দেশ্য থাকবে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পারমর্শক কমিটির ৩৯তম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআইয়ের যৌথ আয়োজনে সভায় এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রায় ৬০ জন ব্যবসায়ী নেতা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার আগে ব্যাবসায়ী প্রতিনিধিদের বক্তব্য শোনেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জনগনের ট্যাক্স দেয়ার ভয় কেটে গেছে। গত ১০ বছরে এ বিষয়ে অনেক উন্নত হয়েছে। সামনে আরো হবে।

এগ্রো-প্রসেসিং খাতকে গুরুত্ব দিতে হবে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এগ্রো-প্রসেসিং (কৃষি প্রক্রিয়াজাত)ভালো হচ্ছে। এ খাতকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখতে হবে।’

এসময় তিনি জানান, সরাসরি রপ্তানির ক্ষেত্রে নগদ সহায়তা (ক্যাশ ইনসেটিভ) দেয়া হবে।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, নতুন পণ্যে বন্ডের সুবিধা দেয়া হবে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান কাজী মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘একটা ব্যবসায়ী পলিসি করা দরকার। সেখানে সব নির্দেশনা থাকবে। এতে দেশি-বিদেশি ব্যবসায়ীরা উৎসাহিত হবে।’

অগ্রীম আয়কর প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন প্রস্তাব

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রীর কাছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন সার্বিকভা‌বে আমদানী শুল্ক ও মুসক সম্পর্কিত লি‌খিত বেশ‌ কিছু প্রস্তাব ক‌রেন। এর ম‌ধ্যে র‌য়েছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা, করপোরেট কর ২ দশমকি ৫ শতাংশ কমিয়ে সকল কোম্পানির করের হার ২৫ শতাংশ এবং মূসক নিবন্ধিনকারী তালিকাভুক্ত কোম্পানির করা হার ট্রেডিং কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩৫ শতাংশ করা। এছাড়া ব্যক্তিগত করদাতার প্রদর্শিত নীট পরিসম্পদের ভিত্তিতে সারচার্জের শূন্য শতাংশের সিমা ৩ কোটি টাকায় বাড়া‌নোর প্রস্তাব করেন। রপ্তানির ক্ষে‌ত্রে তৈ‌রি পোশাকের সব প‌ণ্যে ভ্যাট প্রত্যাহা‌র ও কৃষি বীমা প্রবর্তনের উদ্যেগ গ্রহনের আবেদন করে।

Inline
Inline