নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দুইগ্রুপের সংঘর্ষ

হাবিবুর রহমান,চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার পুরন্দপুর গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই জন আহত হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টার সময় জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের পুরন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদশী সূত্রে জানা যায়, হাসাদহ ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী রবি বিশ্বাস ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথী সোহরাফ বিশ্বাসের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে রবি বিশ্বাসের কর্মী পুরন্দপুর গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে ফুল মিয়া (৪৮) এবং ফুল মিয়ার ছেলে নাজমুল হোসেনকে (২৮) রাম দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাত্ত জখম করার অভিযোগ ওঠে সোহরাব বিশ্বাসের কর্মী রমু ফকিরের ছেলে আকুব্বার,আকুব্বারের ছেলে সোহান এবং বিশারত আলীর ছেলে
আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে। আহত ফুলু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, আমি আর আমার ছেলে বাড়িতে বসে ছিলাম এমন সময় সোহরাব বিশ্বাসের কর্মী আকুব্বার ও তার ছেলে সহ দলবল মিলে আমাদের উপর হামলা চালায় এবং তাদের হাতে থাকা রাম দা দিয়ে আমাদের কোপ মেরে রক্তাক্ত জখম করে, প্রান বাঁচাতে আমরা চিৎকার করলে স্থানীয় জনগণ ছুটে আসে। পরে তারা পালিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন আমাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জীবননগর হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ব্যাপারে সোহরাফ বিশ্বাসের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আকুব্বার আমার কর্মী ছিল কিন্তু ফুলু মিয়া ও তার ছেলের মারধরের ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। নির্বাচনের পরেই আমি ঝিনাইদহ চলে এসেছি। হাসাদহ ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান রবি বিশ্বাসের সাথে কথা বললে তিনি জানান, মারামারি বিষয়টি শুনে আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম এবং আহতদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিয়েছি বর্তমানে তারা সুস্থ আছে এ বিষয়টি আমি দলীয় নেতাকর্মীদের জানিয়েছি। এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মাহমুদুর রহমান জানান, পুরন্দপুর গ্রামে যে ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। এদিকে এ ঘটনায় গোটা এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি আতঙ্ক বিরাজ করছে।