নলছিটিতে এক প্রধান শিক্ষককে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

মোঃ আমির হোসেন, নলছিটি: নলছিটি মাটিভাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মহাসিন মৃধাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নানা সূত্রে জানা গেছে ৭ বছর আগে প্রধান শিক্ষক মহসিন মৃধার স্যালক সৈয়দ সাগর (২৫) কে প্রেমের ফাঁদে ফেলে হাড়িখালি গ্রামের তোফাজ্জেল মল্লিকের মেয়ে রোকছোনা বেগম ঝালকাঠি নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেন। এর পর থেকে ৬ বছরের মধ্যে তিন বার নানা কৌশলে বিবাহ বিচ্ছেদ করে পুনরায় স্থী হিসবে বসবাস শুরু করে। এই ৩ বারেই কাবিনে উল্লেখিত মোহরানার টাকা কুট কৌশলে আদায় করে পুনরায় মোহরানা ধার্য করে বিবাহ করেন। এবার ৪র্থ বার মোহরানা আদায়ের অভিনব কৌশাল হিসেবে যৌতুক দাবী, নির্জাতন মহরানা অভিযোগ এনে নলছিটি থানায় মামলা করতে গেলে। সরেজমিনে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমানিত হওয়ায় পুলিশ মামলা না নিলে ঝালকাঠি বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এ সৈয়দ সাগর, পিতা ঃ আঃ মন্নান, মোসাঃ মুক্তা বেগম, স্বামী ঃ সৈয়দ সাগর, মহসিন মৃধা পিতা ঃ মৃত আঃ মজিদ মৃধা, ও মহসিন মৃধার স্ত্রী জেসমিন বেগম কে আসমী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১১ (খ) (গ)/৩০ ধারায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে মিথ্যা মামলাকে সত্য রূপদিতে ১৭/১১/২০১৭ইং তারিখ এ নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। কর্তব্যরত ডাক্তার জানিয়েছেন ভর্তি কৃত রোকছোনার শরীরের কোথাও কোন ক্ষতি চিহ্ন বা আঘাতের আলামত পাওয়া যায় নি। কিন্তু মামলার বয়ানে বাদীনি ১২/১১/১৭ইং তাং তার বোনকে মারধরের অভিযোগ এনেছে। প্রশ্ন উঠছে মারধরের ৫দিন পর কেউকি চিকিৎসা নিতে যায় ? মামলার ৩নং আসামী মহাসিন মৃধা জানান, তার শালাবউ রেকছনার সাথে তার দেখা হয়েছে গত দেড় বছর আগে। এর পর আর কখন ও দেখা পর্যন্ত হয়নি। মামলায় উল্লেখিত তারিখে তিনি সকাল পৌনে ৮ টার দিকে বিদ্যালয়ের কাজে সভাপতির বরিশালের বাসায় ছিলেন। সেখান থেকে সকাল ৮ টার দিকে নলছিটির উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে সারে ৯ টায় সরাসরি কর্তব্যরত বিদ্যালয়ে যোগদান করে সারে ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের দাইত্ব পালন করেন। তিনি মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতি চেয়ে বাদীনীর বিরুদ্ধে বা: দ: বি: ২১১ ধারা কার্যকর করার জন্য বিজ্ঞ আদালতকে অনুরোধ জানান।