ধর্ষণের পর চুল কেটে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ১

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের তোরাবগঞ্জ এলাকায় এক নারীকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণ ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে ওই নারীর মা বাদী হয়ে কমলনগর থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় নির্যাতনের শিকার নারীর সাবেক স্বামী আবুল কালাম ও তার দুই সহযোগীকে আসামি করা হয়েছে। পরে মধ্যরাতে সদর উপজেরার ভবানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাবলুকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ, নির্যাতিত নারী ও তার স্বজনরা জানায়, কয়েক মাস আগে পারিবারিক কলহের জের ধরে আবুল কালামের সঙ্গে ওই নারীর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার তোরাবগঞ্জ থেকে সিএনজিযোগে লক্ষ্মীপুর যাওয়ার সময় আবুল কালামসহ বেশ কয়েকজন সিএনজি থেকে ওই নারীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে চোখ বেঁধে একটি ঘরে নিয়ে যায়। পরে তিনজন ধর্ষণ করার পর তার চুল কেটে দেন।

শনিবার বিকালে ওই নারীকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্ত আবুল কালাম ওই উপজেলার তোরাবগঞ্জ এলাকার আনোয়ার আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় নির্যাতিত নারীর মা বাদী হয়ে শনিবার রাতে মামলা করেন। মামলার এক আসামি গ্রেপ্তার হলেও প্রধান আসামি আবুল কালাম ও অন্য অজ্ঞাত আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকুল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, গণধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বাবলুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি আবুল কালামসহ অন্যদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার কমলাশীষ রায় বলেন, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার এক নারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রতিবেদন দেয়া হবে।

Inline
Inline