দীর্ঘ ১৮ বছরের প্রেম তাদের

গুঞ্জন চলছে, বিয়ে করতে চলেছেন ‘আয়নাবাজি’ খ্যাত অভিনেত্রী ও মডেল মাসুমা রহমান নাবিলা। পাত্র ব্যাংক কর্মকর্তা জোবাইদুল হক। দুজনে দুই জগতের বাসিন্দা। কিন্তু তাদের চেনা-জানা বহু পুরনো। বলতে গেলে সেই কৈশোর থেকে। ভাবছেন কীভাবে? তাহলে খোলাসা করেই বলি।

নাবিলার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় হলেও তার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা সৌদি আরবের জেদ্দায়। বাবার চাকরি সূত্রে তার কৈশোর কেটেছে মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটিতেই। একই ঘটনা ঘটেছে তার হবু বর নেত্রকোনার ছেলে জোবাইদুল হকের বেলাতেও। তারও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে।

ঘটনা এখানেই শেষ নয়, আরো আছে। জেদ্দায় থাকাকালীন সময়ে পরিচয় হয় লাভবার্ড জুটি নাবিলা ও জোবাইদুলের। সেটা ২০০০ সালেরও আগের গল্প। একই স্কুলে পড়তেন দুজন। তখনই নাকি একে অপরকে ভালোবেসে ফেলেন জোবাইদুল ও নাবিলা। সম্প্রতি এমন গল্প নিজেই শুনিয়েছেন ‘আয়নাবাজি’ তারকা।

এসএসসি পাসের পর ২০০০ সালে জেদ্দা থেকে স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন নাবিলা । ভর্তি হন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে। একা জোবাইদুলের কি আর বালুর দেশে মন টেকে? তার জীবনের বড় একটা অংশ তো পড়ে আছে বাংলাদেশে। দেশে ফিরে আসেন জোবাইদুলও। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষে এখন একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন।

দীর্ঘ ১৮ বছর ডুবে ডুবে জল খাওয়ার পর অবশেষে প্রকাশ্যে তাদের প্রেমের গল্প। গুঞ্জন যদি সত্যি হয়, তবে আগামী এপ্রিলেই শুভ পরিণয় পাবে নাবিলা-জোবাইদুলের দেড় যুগের এই প্রেমের। শোনা যাচ্ছে, দুই পরিবারের মধ্যে ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত আলাপ আলোচনা শুরু হয়েছে। চলছে বিয়ের প্রস্তুতি।

উল্লেখ্য, উপস্থাপনা দিয়ে মিডিয়া জগতে প্রবেশ করেন মাসুমা রহমান নাবিলা। ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি অপরাধধর্মী থ্রিলার ‘আয়নাবাজি’ ছবিতে হৃদি চরিত্রে অভিনয় তাকে রাতারাতি তারকা বানিয়ে দেয়। অমিতাভ রেজা পরিচালিত ওই ছবিতে তিনি চঞ্চল চৌধুরীর বিপরীতে অভিনয় করেন। ব্যবসা সফল হওয়ার পাশাপাশি ছবিটি পায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা। অভিষেক ছবিতেই অভিনয় কারিশমা দেখিয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন নাবিলাও।

Inline
Inline