তাইজুলের পর সাজঘরে ইমরুল

খেলাধুলা ডেস্ক : বাউন্ডারি মেরে দিন শুরু করেন তামিম ইকবাল। খানিকটা সময় তামিমকে সঙ্গ দেন তাইজুলও। কিন্তু খুব বেশিক্ষণ উইকেটে টিকে থাকতে পারেননি তিনি। ৪ রান করেই ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। এরপর তাইজুলের পথেই হাঁটেন ইমরুল কায়েস। দলীয় ৬৭ রানের মাথায় ইমরুলকে ফেরান নাথান লায়ন।
এর আগে সোমবার শেষ বেলায় দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। দিন শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান জমা করে টাইগাররা। সেই সুবাদে ৮৮ রানের লিড নিয়ে আজ তৃতীয় দিনের ব্যাটিংয়ে নামে মুশফিক বাহিনী।
সিরিজের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের দেয়া ২৬০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে সাকিব-মিরাজদের ঘূর্ণিতে ২১৭ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ উইকেট নিয়ে রেকর্ডের খাতায় নাম লেখান সাকিব আল হাসান। তিনটি উইকেট শিকার করে মেহেদী হাসান মিরাজ। খালি হাতে ফেরেননি তাইজুল ইসলামও।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম দিনের শুরুতে বড়সড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। স্কোর বোর্ডে ১০ রান জমা পড়তেই তিন উইকেট খোয়ায় স্বাগতিকরা। এক এক করে প্রথম সারির তিন ব্যাটসম্যান সৌম্য (৮), ইমরুল (০) আর সাব্বির (০) ফিরে যান সাজঘরে। তিন উইকেটই ঝুলিতে পুরেছেন ওজি পেসার প্যাট কামিন্স। চতুর্থ উইকেট জুটিতে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন সাকিব-তামিম।
শতকের পথে থাকা তামিম ইকবালকে থামিয়ে ১৫৫ রানের জুটি ভাঙেন পার্ট টাইম স্পিনার ম্যাক্সওয়েল। আর ৮৪ রান করে নাথান লায়নের শিকার হয়ে বিদায় নেন সাকিব। ৭১ রান করে তামিম এবং ৮৪ রানে সাকিব ফিরলেও নিজেদের ৫০তম টেস্টে বীরত্বের ছাপই রেখে যান দুজন। ১৪৪ বলে ৫ চার ৩ ছয়ে ৭১ রান আসে তামিমের ব্যাট থেকে। টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব করেন ১৩৩ বলে ১১ চারে ৮৪ রান।
সাকিব-তামিম আউট হওয়ার পর বাকিরা তাদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। তবে খানিকটা সময় লড়াই করেছেন নাসির (২৩) ও মিরাজ (১৮)। শেষ পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। অজি বোলারদের পক্ষে ৩টি করে উইকেট শিকার করেন প্যাট কামিন্স, নাথান লায়ন, অ্যাস্টন অ্যাগার। একটি উইকেট দখল করেন ম্যাক্সওয়েল।