ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে

ঢাকা, ১১ জুন, ২০১৮ : চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জাতীয় গাইডলাইন আপডেটসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যাংক ফ্লোরে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এ কথা জানান।
ডিএসসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শেখ সালাহউদ্দীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মুল ও এডিসবাহিত কর্মসূচির ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আকতারুজ্জামান।
মূল প্রবন্ধে বলা হয়, এডিস মশার কারণে জ্বরাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার কমেছে। সম্প্রতি ঢাকার ৯৩টি ওয়ার্ডের ১০০টি জায়গায় একটি জরিপ চালানো হয়েছে। তাতে দেখা গেছে, ১৯টি স্পটে এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র বেশি পাওয়া গেছে। আর এডিস প্রজনন মৌসুমে ৯০-৯৭ শতাংশ বাড়িতে/স্থানে এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়।
আকতারুজ্জামান জানান, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জাতীয় গাইড লাইন আপডেটসহ (সংস্কার) নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে পূর্বের তুলনায় আমরা বেশ সচেষ্ট।
তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধির মতই চিকিৎসক-নার্সের দক্ষতা বৃদ্ধিতে নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। ডেঙ্গু রোগ সনাক্তকরণে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে কিট বিতরণ করা হয়েছে।
ডিএসসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শেখ সালাহউদ্দীন বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে আগের তুলনায় আমরা বেশ সচেতন। মশা নিধনে লার্ভিসাইড ও এডাল্টিসাইড ওষুধ নিয়মিত ছিটানো হচ্ছে।
সভায় জানানো হয়, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় এডিস মশার তিনটি জরিপ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া বিমানবন্দরেও মশা জরিপের কাজ শেষ হয়েছে।

Inline
Inline