ঠাকুরগাঁওয়ে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ‘মাদক কারবারি’ নিহত

ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা : ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রফিকুল ইসলাম তালেবান নামে ৫১ বছর বয়সী এক মাদক কারবারি নিহত হয়েছেন। শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, এক শ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি। দেশব্যাপী চলমান মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও জেলায় এটি তৃতীয় বন্দকযুদ্ধের ঘটনা।

নিহত রফিকুল রানীশংকৈল উপজেলার ভরনিয়া (শিয়ালডাম্গী) গ্রামের হুমাউন কবিরের ছেলে।

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ বন্দুকযুদ্ধে একজন নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, রাতে রাণীংশকৈল উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালাতে যায় পুলিশ। মহারাজাগামী রাস্তা দিয়ে দুর্লভপুর গ্রাম এলাকায় যাওয়ার পর মাদক কারবারি রফিকুলসহ ১০/১২ জন চোরাকারবারি পুলিশের উপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

১০/১৫ মিনিট ধরে চলা বন্দুকযুদ্ধের পর চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ধানক্ষেত থেকে রফিকুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রফিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান,কিছু ধারালে অস্ত্র ও এক শ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়।

নিহত রফিকুলের বিরুদ্ধে বালিয়াডাঙ্গী ও রানীশংকৈল থানায় মাদকদ্রব্য আইনে আটটি মামলা আছে বলে ওসি আব্দুল মান্নান জানান।

এর আগে গত ২৩ মে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বালিয়াডাঙ্গীর পারুয়া গ্রামের ভেলসা মোহাম্মদের ছেলে আপতাফুল (৩৮) নিহত হয়। এছাড়া গত ২৬ মে আরেক বন্দুকযুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদরের ছিট ছিলারং গ্রামের শফির উদ্দীনের ছেলে মোবারক হোসেন ওরফে কুট্রি (৪৪) নিহত হয়। দুজনই মাদক চোরাকারবারে জড়িত ছিল বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছিল।