ট্রেনের সিটে বসা নিয়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ

চবি প্রতিবেদক : শাটল ট্রেনে সিটে বসাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের মিঠুন পালিত ও চারুকলা ইনস্টিটিউটের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের জহির রায়হান নামে দুই ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন।

বুধবার বিকেল ৪টার ট্রেনে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। তবে রাতভর এ নিয়ে শাহ আমানত ও শাহ জালাল হলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজমান ছিল।

বিবাদমান দু’টি পক্ষ হচ্ছে সিটি মেয়র নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী ভিএক্স ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী সিএফসি গ্রুপ।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৪টার ট্রেনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন অনুসারী ভিএক্স পক্ষের ছাত্রলীগ কর্মী জাহির রায়হানের সঙ্গে শাটলের সিটে বসা নিয়ে সিএফসি পক্ষের মিথুন পালিতের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জহির রায়হানকে মারধর করেন সিএফসি পক্ষের কর্মীরা।

এই ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় সিএফসি অনুসারী নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হল এবং ভিএক্স পক্ষের সঙ্গে নাছিরের অনুসারী অন্যান্য পক্ষের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও সোহারাওয়ার্দী হলের গেটে রামদা ও লাঠি নিয়ে অবস্থান নিলে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। পরে রাত ৯টার দিকে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির কঠোর অবস্থানে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মিজানুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আমরা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি হলের সামনে কঠোর অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি।

Inline
Inline