জিতে গেছেন ধরে গাজীপুরবাসীকে জাহাঙ্গীরের ধন্যবাদ

গাজীপুর সংবাদদাতা : গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আসা ফলাফলে নিজের জয় নিশ্চিত মনে করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। আর তাকে ভোট দেয়ায় নগরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রত্যাশিত উন্নয়ন নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

রাতে গাজীপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদেরকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন নৌকা মার্কার প্রার্থী।

বিকাল চারটায় ভোট শেষের পর রিটার্নিং কর্মকর্তা বঙ্গতাজ মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণার আয়োজন করলেও জাহাঙ্গীর আলমের মিডিয়া সেলও বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ফল সংগ্রহ শুরু করে। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের চেয়ে জাহাঙ্গীরের মিডিয়া সেলে খবর আসতে থাকে দ্রুত।

যতই সময় গড়াতে থাকে বিএনপির সঙ্গে ব্যবধান ততই বাড়াতে থাকেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। আর ভোটের এই চিত্রে নিশ্চিত যে তিনি জিতে যাচ্ছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী বলেন, ‘আমি গাজীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমাকে তার সন্তান ভেবে ভোট দিয়েছেন।’

‘আমি গাজীপুরের সকলকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং আওয়ামী লীগের উন্নয়নে আস্থা রাখুন।’

তাহলে ধরেই নিয়েছেন জয় আসছে-এমন প্রশ্নে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘অবশ্যই, আমার এবং আশেপাশের যেসব কেন্দ্রগুলো আসছে, অনেক কেন্দ্র বেসরকারিভাবে জেনেছি। তারপরও যাচাই বাছাই, রেজাল্ট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। নিয়ম আছে, নিয়মের মধ্যে চলতে চাই।’

নেতা-কর্মীদেরকে কী বার্তা দেবেন-জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘নেতা কর্মীদের কাছে অবশ্যই অনুরোধ আছে। মানুষের জয়লাভ করলে আনন্দ হয়। তারা অবশ্যই আনন্দ করবেনে। কিন্তু কেউ যেন অতি উৎসাহিত হয়ে প্রতিপক্ষকে কোনোভাবে আঘাত না করে।’

সিটি করপোরেশন সবার জানিয়ে সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাওয়ার কথাও বলেন জাহাঙ্গীর। বলেন, ‘গাজীপুরের মানুষ যানজটে অনেক কষ্ট করে, জলাবদ্ধতায় কষ্ট করে, এগুলো কীভাবে সমাধান করা যায়, আসুন সবাই মিলে এই সমস্যাগুল কীভাবে সমাধান করা যায় সেটি করি।’

বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার অভিযোগ করেছেন, ভোটে শতাধিক কেন্দ্র দখল করে সিল মারা হয়েছে। এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বিএনপি প্রার্থীকে বলব, উনি সম্মানিত লোক না বুঝে কোন ব্লেম দেবেন না।’

‘আমি ওনাকে অনুরোধ করেছিলাম, নালিশ না করে আসুন জনগণের জন্য কী করা যায়। ওনি সম্মানিত লোক, না জেনে কোনো কিছু বললে ঠিক হবে না ‘

‘ওনি নিজেও একটা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন, আমিও দিয়েছি। ওনারও একটা জন্মস্থান আছে আমারও একটা জন্মস্থান আছে। আমার চেয়ে ওনার বয়স বেশি। ওনার ভালোটাও যেমন জানে, খারাপটাও জানে। আমারও ভালোটাও জানে, খারাপটাও জানে। সে জন্য আমাদের সব কিছু বুঝেশুনে বলা উচিত।’