জামালগঞ্জে সড়ক নির্মান কাজে ধীর গতি; জনদুর্ভোগ চরমে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে জনগুররুত্বপূর্ণ সড়ক, কালভার্ট ও ব্রীজ নির্মানে চলছে ধীর গতিতে। ফলে পথচারী ও যানবাহনে এলোপাথাড়ি পথ চলায় ঘটছে নানা দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনা। অতিষ্ঠ হচ্ছে জনজীবন। দীর্ঘদিন যাবত বর্ষা মৌসুম থেকে এই রাস্তা নির্মানের লক্ষে ভাঙ্গার কাজ শুরু হলেও অধ্যাবাতি শেষ হয়নি।

জানা যায়,  জামালগঞ্জ- সুনামগঞ্জ সড়কে বাইপাস রাস্তা হতে উপজেলা পরিষদ গেইট পর্যন্ত দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মান কাজে দায়িত্বে রয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হাওলাদার ট্রেডার্স। জামালগঞ্জ সেলিমগঞ্জ সড়কে ৭৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১ কিলোমিটার রাস্তা নির্মানে দায়িত্ব ও সাচনা গ্রামের মধ্যবতী ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বক্স কালভার্ট নির্মান ও সাচনা-বেহেলী রোডে বেহেলীর নিকটবর্তী কালভার্ট এর রাস্তা নির্মানের কাজ পায় মেসার্স পূজা এন্টারপ্রাইজ। সাচনা -বেহেলী রোডে রাজাপুর ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে ব্রীজের এপ্রোছ ভেঙ্গে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুঘর্টনা।

জামালগঞ্জ- লক্ষীপুর রাস্তায় গত বছর ভীমখালী ইউনিয়নের কারেন্টের বাজার সংলগ্ন মাহমুদপুর ব্রীজ কালভার্ট নির্মানের কাজ পায় মেসার্স শিরিন এন্টারপ্রাইজ। হঠাৎ আগাম বন্যার কারনে ব্রীজটি অসামপ্ত থেকে যাওয়ায় ফেনারবাক ইউনিয়নের যাত্রীসাধারন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। একই রাস্তায় তেরানগর গ্রামের পাশে ২০০১ সালে নির্মিত দোলতা নদীর উপর অপরিকল্পিত সরু ব্রীজটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে। এরই উপর দিয়ে প্রতিনিয়ত অদক্ষ , সিএনজি, লেগুনা ও টমটম চালকেরা যাত্রী সাধারন সহ জীবনে ঝুকিঁ নিয়ে যাতায়াত করছে ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে অহরহ দুর্ঘটনা।

সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনিধিগনের কোন জবাবদিহিতা না থাকায় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার দায়ভার কেহ স্বীকার করতে রাজি নন। জামালগঞ্জ উপকন্ঠের রাস্তাটি ১৮ ফুট চওড়া করার কথা থাকলেও অনেক দোকান ও বাসা বাড়ির সামনে ১০ ও ১২ ফিট চওড়া থাকায় সরকারী কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শিপলু কর্মকার বলেন , মাহমুদপুরের কালভার্ট ব্রীজটি পানি আসার জন্য কাজ বন্ধ ছিল, অচিরেই শুরু হবে। হাওলাদার ট্রেডার্স ও পূজা এন্টারপ্রাইজ এর কাজ বিভিন্ন কারনে বিঘ্ন ঘটলেও বর্তমানে পথচারীদের যাতায়াতের সুবিধা করে মার্চ মাসের ভিতরেই সমুদয় কাজ সম্মপ্ন করবে। বাইপাস থেকে জামালগঞ্জের উপকন্ঠের রাস্তাটি কোন কোন ক্ষেত্রে ১৮ ফিট প্রস্থ না থাকায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তাদের কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে। তেরানগরের ব্রীজটি পরিত্যক্ত হওয়ায় যান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এতে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে চালকই দায়ী থাকবে।