জামালগঞ্জে শীতার্থ মানুষের পাশে ইউএনও শামীম আল ইমরান

অনিমেষ দাস, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: কনকনে শীতের রাতে শীতার্থ দুস্থ, অসহায় পরিবারের মাঝে উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো: শামীম আল ইমরান শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন । হঠাৎ করেই সারা দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে ঝেঁকে বসেছে শীত। রাতের কুয়াশা আর কনকনে শীতে জবুথবু হয়ে পড়ছে মানুষ। শীতের তীব্রতা দিনদিন বেড়েই চলেছে।

শীতের কামড়ের হাত থেকে ছিন্নমূল ও দুস্থ মানুষদের রক্ষা করতে রাতের আঁধারে শীতার্র্থ মানুষের দুয়ারে গিয়ে শীত নিবারনের জন্য উষ্ণতার চাদর বিলিয়ে দিয়েছেন জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: শামীম আল ইমরান । গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে প্রচন্ড শীতের মধ্যে দরিদ্র ও অসহায় শীতার্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তিনি। সহযোগিতা পেয়ে আবেগ আপল্লুত হয় গ্রামের অসহায় মানুষ গুলো।

শীতবস্ত্র বিতরণে উপস্থিত ছিলেন সহকারি কমিশনার(ভূমি) জনাব মনিরুল হাসান, বেহেলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব অসীম কুমার তালুকাদার ও ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার অজিত কুমার রায়।

এব্যাপারে বেহেলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অসিম চন্দ্র তালুকাদার বলেন,অতিথেও জামালগঞ্জে অনেক নির্বাহী কর্মকর্তা এসেছেন কিন্তু এরকম অফিসার আমরা পাইনি। আমার ৫নং ওয়ার্ডে নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় প্রতিটা ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের খবরা খবর নিয়েছেন এবং নিজ হাতে গুচ্ছগ্রামের হতদরিদ্র মানুষদের কাছে ৩৮টি কম্বল দিয়েছেন। এসব শীতবস্ত্র পেয়ে তারা ইউএনও’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: শামীম আল ইমরান সাথে কথা বললে তিনি বলেন, কম্বল বিতরণের তালিকা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা করেছেন তারপরও অসহায় মানুষের কথা ভেবে রাতে আমার অফিস স্টাফদের নিয়ে জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের হতদরিদ্র মানুষদের কাছে কম্বল পৌঁছে দিয়েছি। যদি ঘোষণা দিয়ে বলা হয় তাহলে হয়তো একই পরিবারের কয়েকজন সদস্য জোট বেঁধে আসতো। তাহলে যে লোকটির সবচেয়ে প্রয়োজন তিনি নাও পেতে পারেন কম্বলটি। এই জন্য রাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে নিজের চোখের সামনে যাকে কম্বল দেয়াটা যুক্তি সংঙ্গত তার হাতেই দেওয়া হয়েছে।

Inline
Inline