জাতীয় চিড়িয়াখানায় আসছে নতুন অতিথি ক্যাঙ্গারু

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আরও বিনোদন মুখর করে তুলতে আনা হচ্ছে ক্যাঙ্গারু। ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি ক্যাঙ্গারু আনা হচ্ছে নেদারল্যান্ড থেকে।

বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) রাতে ক্যাঙ্গারু দুটি ঢাকায় পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, চিড়িয়াখানাকে নতুনভাবে সাজাতে ও দর্শনার্থীদের কাঙ্ক্ষিত বিনোদন দিতে লাল রংয়ের দুটি ক্যাঙ্গারু আনা হচ্ছে। এদের বয়স দেড় বছর। ইতোমধ্যে চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথিদের রাখার সেড প্রস্তুত করা হয়েছে। ভেতরে মাঝামাঝি স্থানে উঠ পাখির সেডের পাশে তাদের রাখা হবে।

চিড়িয়াখানার কর্মকর্তারা জানান, দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী আগামী ২০ দিন পর্যন্ত দরদাতার তত্ত্বাবধানে এ দুটি প্রাণিকে রাখা হবে। এরমধ্যে নতুন পরিবেশে তারা নিজেদের মানিয়ে নেবে। নির্ধারিত সময় পর দরদাতা চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে ক্যাঙ্গারু দুটি বুঝিয়ে দেবে।

জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, চিড়িয়াখানাকে আরও আকর্ষণীয় ও বিনোদন মুখর করে তুলতে নতুন নতুন প্রাণি আনা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ক্যাঙ্গারু দুটি চিড়িয়াখানায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে একটি পুরুষ ও মহিলা জাতের উঠ আনা হয়েছে। উঠগুলো এখানকার আবাহওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। সেগুলো দেখতে প্রতিদিন দর্শনার্থী ভিড় করছে। ভবিষ্যতে আরও নতুন নতুন প্রাণি জাতীয় চিড়িয়াখানায় আনা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

জানা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় ১৮৬ একর জায়গা নিয়ে গঠিত মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা। ১৯৭৪ সাল থেকে চিড়িয়াখানায় প্রতিদিন দূর-দূরান্তের হাজারও দর্শনার্থী আসে। চিড়িয়াখানায় রয়েছে মাংসাশী আট প্রজাতির ৩৮টি প্রাণি, ১৯ প্রজাতির বৃহৎপ্রাণি (তৃণতোজী) ২৭১টি, ১৮ প্রজাতির ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী ১৯৮টি প্রাণি।

এছাড়াও রয়েছে ১০ প্রজাতির সরীসৃপ ৭২টি, ৫৬ প্রজাতির ১১৬২টি পাখি। সব মিলিয়ে রয়েছে ১৩৭টি পশু-পাখির খাঁচা।

সম্প্রতি চিড়িয়াখানায় অনেক প্রাণির প্রজনন হয়েছে। গত কয়েক মাস আগে জেব্রা, জিরাফ, ইমপাল, ইমু পাখি, গয়াল, মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, ময়ূর, লাভ বার্ডসহ কয়েকটি প্রাণি বাচ্চা দিয়েছে।