ছোট্ট হালিমার দেহ মিলেছে দু’টি ভবনের ফাঁকে

নিজস্ব প্রতিবেদক : আড়াই বছরের হালিমা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ভাদুঘর ভূঁইয়াপাড়ার রাজমিস্ত্রি আমির হোসেনের মেয়ে। শনিবার সকাল ৭টার পর তার খোঁজ মিলছিল না।
মাইকিং চলার ফাঁকেই দুপুর পৌনে ১টার দিকে এলো খবর- হালিমার সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে সে খবর অত্যন্ত দু:খের। ছোট্ট হালিমার দেহ মিলেছে দু’টি ভবনের ফাঁকে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায় ছবিটি। তোলপাড় শুরু হয় সারা দেশে। তদন্তে নামে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে সদর মডেল থানা পুলিশে বেশ কয়েকটি টিম রোববার রাতে অভিযানে যায়।
সন্দেহভাজন ৫-৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। তার মধ্যে নিহত হালিমার মা খাদিজা ও বাবা আমিরসহ নিকটাত্মীয়রা আছে। রাতেই তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে পুলিশ তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে কোনো মুখ খুলছে না।
তবে পুলিশের একটি সূত্র জানায়, হালিমা হত্যার পেছনে তার মা খাদিজার সঙ্গে কারও পরকীয়া সম্পর্ক আছে কিনা, পারিবারিক বিরোধ, পূর্বশত্রুতা কিংবা তৃতীয় কেউ এ ঘটনা ঘটাতে পারে কিনা? এসব বিষয় মাথায় নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।
ঘটনার বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন রোববার সকালে জানান, ঘটনার পর আমরা আগে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ছাড়া শনিবার দিনে ও রাতে আমাদের বেশ কয়েকটি পুলিশের টিম বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আমরা বেশ কয়েকজনকে আটক করেছি। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত এ ঘটনার ঘাতককে বের করার।