ছেলে ধরার গুজব ছড়ানোর কাজে সহিদের সঙ্গে আরও তিনজন

ভোলা সংবাদদাতা : গলাকাটা ও ছেলে ধরার বিষয়ে ভোলার সাধারণ মানুষের মাঝে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতার আব্দুল সহিদ হাওলাদারের (২৪) পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভোলা নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এ তথ্য জানান।

এ সময় তিনি বলেন, গতকাল বুধবার বিকেলে ভোলা জেলায় গুজব ছড়ানোর দলের সদস্য আব্দুল সহিদ হাওলাদারকে স্মার্টফোনসহ আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দোষ স্বীকার করেন এবং তার এ কাজের সঙ্গে আরও তিনজন রয়েছে বলে জানান। ওই তিনজনের বাড়ি ভোলা জেলায়। এদের মধ্যে একজন দুবাইতে আছেন। অন্য দুজন সহিদকে আটকের পরে অন্যত্র পালিয়ে গেছেন। মামলার তদন্তের স্বার্থে আমরা সহিদের সঙ্গে তিনজনের নাম ও পরিচয় এখন বলতে পারছি না। তবে তাদের সবাইকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, আব্দুল সহিদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে চরফ্যাশন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় তাকে জেলা অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় সহিদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ মামলার শুনানি হবে।

এ সময় ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাফীন মাহমুদ, সাব্বির হোসেন, গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মো. শহিদুল ইসলাম, চরফ্যাশন থানা পুলিশের ওসি সামছুল আরেফিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, পদ্মা সেতুর জন্য মানুষের গলা লাগবে, এ জন্য গলাকাটা বাহিনী নেমেছে, তারা শিশুদের ধরে নিয়ে গলা কাটছে- ফেসবুক ও ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে ভোলায় একটি চক্র গত কয়েক দিন ধরে এমন তথ্য ছড়িয়ে মানুষকে আতঙ্কিত করছে। এ ঘটনায় পুলিশ গতকাল বুধবার চরফ্যাশন উপজেলার চর মাদ্রাজ এলাকা থেকে গুজব ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত স্মার্টফোনসহ আব্দুল সহিদ হাওলাদার নামে ওই চক্রের একজনকে আটক করে।