ছাত্রলীগের বিক্ষোভে ১১ চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়ার অভিযোগে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মাহবুবুল হক ভুঁইয়ার (তারেক) বহিষ্কার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি বিভাগের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মিলিয়ে সর্বমোট ১১টি পূর্বনির্ধারিত চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূরুল করিম চৌধুরী।গতকালের মতো আজ বুধবারও সকাল থেকেই শাখা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনসহ সব অনুষদ ভবনও তালা লাগিয়ে দেয় তারা। এতে উপাচার্যসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক মাহবুবুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘শোক দিবসের আলোচনা উপেক্ষা করে আমার এভাবে সময় দেওয়া উচিত হয়নি। এ বিষয়ে আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিৎ ছিল। শিক্ষার্থীরা কিছু বিষয় না বোঝার কারণে আমার কাছে এসেছিল। তাই তাদের অনুরোধে কিছু সময়ের জন্য ক্লাস নিয়েছি।’মঙ্গলবার জাতীয় শোক দিবসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আলোচনা সভার আয়োজন করে। কিন্তু তা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মাহবুবুল হক ভুঁইয়া (তারেক)। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে এবং প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে শাখা ছাত্রলীগ।বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলী আশরাফ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা এখনো কোনো ধরনের সিদ্ধান্তে নেইনি। সার্বিক বিষয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেবো।’