চুয়াডাঙ্গায় সাথি ফসল আবাদে লাভোবান হওয়ার আশা করছেন চাষিরা

হাবিবুর রহমান,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা জেলায় বিভিন্ন ফল বাগানের ভিতরে শুরু হয়েছে সাথি ফসল হিসাবে একাঙ্গী (একানির) আবাদ। পেয়ারা,কমলা,মালটা বাগানের ভিতরে একানি, আলু, ঝালের চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাগানে গাছের চারা লাগানোর পর থেকে গাছ বড় হওয়া পর্যন্ত ঐ জমিতে সাথি ফসল হিসাবে এই সকল আবাদ করছে চাষিরা। এই চাষে তারা ভালো লাভোবান হবে বলে আশা করছেন।
জেলার দামুড়হুদা উপজেলার নতুন হাউলী গ্রামের মৃত্যু সুরত আলীর ছেলে, আজিজুর রহমান ও তার ভাগিনা বিল্লাল হোসেন গত বছর সাড়ে ৫বিঘা জমিতে থাই-৩ জাতের পেয়ারা বাগান লাগাই। ঐ বছরই সে উক্ত জমিতে আলুর চাষ করে। আলু উঠার পর একই জমিতে একাঙ্গী (একানির) আবাদ করে।
আজিজুল হক জানায়, গতবছর সে জেলার দামুড়হুদা উপজেলার বাস্তপুর মাঠে সাড়ে ৫ বিঘা জমিতে থাই-৩ জাতের পেয়ারা চারা লাগায় এতে তার খরচ হয় ৬ লক্ষ টাকা। ইতোমধ্যে তার পেয়ারা গাছে পেয়রা ধরা শুরু হয়েছে আগামি ২মাসের মধ্যে পেয়ারা বিক্রি করতে পারবে। একই বাগানে সাথি ফসল হিসাবে আলুর চাষ করে ১লক্ষ ৪০হাজার টাকার আলু বিক্রি করে। আলু তোলার ঐ জমিতে একাঙ্গী (একানি) চাষ করে। চলতি বছর ব্যাপারিরা ঐ জমির একানির দাম ৩ লক্ষ টাকা বললে ও আরো কিছু বেশি দামে একানি বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
একই মাঠে দামুড়হুদা দশমী পাড়ার মৃত্যু মসলেম মন্ডলের ছেলে আক্তার আলী ৩ বিঘা কমলার জমিতে সাথী ফসল হিসাবে একানির আবাদ করেছে গত বছর আক্তার আলী তিন বিঘা জমিতে কমলার চারা লাগায় ঐ সময় সে কমলার ভিতরে সাথী ফসল হিসাবে একানির চাষ করে ইতোমধ্যে তার একানি তোলার মত হয়ে গেছে একানির ব্যপারীরা জমিথেকে তার একানির দাম আড়াই লক্ষ টাকা দাম বললেও আক্তার আরো বেশি দাম পাওয়ার আশায় বিক্রি করছেনা।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, মসলা জাতীয় ফসল একানি সামান্য ছায়া যুক্ত জমিতে এই ফসল ভালো হয়। একানির দাম ও ভালো সেই হিসাবে চাষিরা নতুন বাগানের ভিতরে এই চাষ করে লাভবান হবে। জেলায় ২ হেক্টর অর্থাত ১৫বিঘা জমিতে এই একাঙ্গী (একানির) পুরা টায় দামুড়হুদা উপজেলায়। এর মধ্যে সাথি ফসল হিসাবে চাষ হয়েছে ১০ বিঘা জমিতে বাকি ৫বিঘা একক ফসল হিসাবে চাষ হয়েছে একাঙ্গী (একানির) চাষ হয়েছে।
দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা সুফি মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান জানান, একাঙ্গী (একানির) সাধারনত মসলা জাতীয় ফসল এটা মসলা হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এবার একানির ফলন ও ভালো হয়েছে বাজার দর ভালো থাকায় চাষিরা ভালো লাভবান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।