চুয়াডাঙ্গায় প্রতিবন্ধি শিশু ধর্ষন : ধর্ষকসহ গ্রেফতার, ২

হাবিবুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ারগাছিতে প্রতিবন্ধি শিশুকে (১০) ধর্ষন করেছে আমির হোসেন নামের এক লম্পট। ধর্ষণ শেষে মূমুর্ষ অবস্থায় ধর্ষিত শিশুটিকে মুগরী কামারের দ্বিতীয় তলা থেকে নিচে ফেলে দেয় লম্পট আমির। এতে শিশুটির একটি পায়ের গুড়ালী ভেঙ্গেগেছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ির অদূরে একটি মুরগীর খামারের দ্বিতীয় তলায় এঘটনা ঘটে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ধর্ষনকারী আমির হোসেন (২২) ও ধর্ষণকারীকে সহযোগীতা করার অপরাধে মনিরুউজ্জামান মন্টুকে (৪২) চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গা, দামুড়হুদা, দর্শনা ও কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ পুরো গ্রাম ঘিরে ফেলে দীর্ঘক্ষণ চিরুনি অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ জানান, সোমবার (৭ আগষ্ট) সকালে উপজেলার কুড়ালগাছি গ্রামের প্রতিবন্ধি শিশু বাড়ির পাশে অন্য শিশুদের সাথে খেলা করছিল। এসময় একই গ্রামের আমির হোসেন তাকে মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে গিয়ে পাশ্ববর্তী মনিরুজ্জামান মন্টুর মুরগী খামারের দু’তলায় নিয়ে ধর্ষন করে। তার চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে প্রতিবন্ধি শিশুকে দু’তলা থেকে ফেলে দিয়ে ধর্ষক আমির হোসেন পালিয়ে যায়। দু’তলা থেকে ফেলে দেওয়ায় শিশুটির একটি পায়ের গুড়ালী ভেঙ্গেগেছে।
পরে এলাকাবাসী শিশুটিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এই ঘটনায় দুপুরে ধর্ষিতার বাবা আনিছুর রহমান বাদী হয়ে কুড়ালগাছি গ্রামের আজগার আলীর ছেলে আমির হোসেন ও একই গ্রামের রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান মন্টু নাম উল্লেখ করে দামুড়হুদা থানায় মামলা করে।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার নিজাম উদ্দীনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে। শিশুটির ডাক্তারী পরীক্ষা বিকালে সম্পূর্ন হয়েছে বলেও জানান ওসি। বর্তমানে মূমুর্ষ অবস্থায় শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে ।