গোপালগঞ্জে বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও দপ্তরী নিয়োগে রক্তক্ষয়ী ও সংঘর্ষের আশংকা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সাতপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে সহ: প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরী নিয়োগে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য কানুলাল বিশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগ বন্ধের ব্যাপারে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পরিচালনা পরিষদ কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ বালা ও সাতপাড় দীননাথ গয়ালী চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের নিয়োগ কমিটির সভাপতি ও সরকারি বীনাপানি গালর্স স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুবল চন্দ্র মন্ডল এবং সাতপাড় দীননাথ গয়ালী চন্দ্র উচ্চ বিদ্যারয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র মজুমদার মোটা অংকের টাকার বিনমিয়ে ও ষড়যন্ত্র করে সাতপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে অবৈধ ভাবে সহ: প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরী পদেতাদের নিজেদের লোক নিয়োগ করতে যাচ্ছে। অভিযোগ লিপিতে আরো জানা যায়, সাতপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ে সহ: প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরী নিয়োগ দান বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিন তিন বার যথাক্রমে গত ২২-০৯-১৫ইং, ১৫-০৫-১৬ইং এবং ০৮-০৪-১৭ইং তারিখ উক্ত পদ গুলিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির  মাধ্যমে নিয়োগ  পরীক্ষা ও নিয়োগ দান প্রক্রিয়া চলছে।
অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র মজুমদার, সভাপতি রবীন্দ্রনাথ বালা ,বীনাপানির স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাবু সুবল চন্দ্র মন্ডল ও টুঙ্গিপাড়া সরকারি জিটি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকগন গভীর ষড়যন্ত্রের ও পৃষ্ঠপোষকতায় বাবু মৃনাল কীর্ত্তনীয়া কে সহ: প্রধান শিক্ষক পদে এবং অত্র স্কুলের দপ্তরী হরিপদ মন্ডল এর খুরতোত ভাই কার্তিক মন্ডল কে মোট ৮,০০,০০০(আট লক্ষ) টাকা ঘুষ গ্রহনের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে নিয়োগ দেয়ার পায়তারা করছে।
তিনি অভিযোগ পত্রে আরো উল্লেখ করেন, এহেন অবৈধ নিয়োগ দ্রুত গতিতে বন্ধ না হলে সাতপার ইউনিয়নের সকল পাড়া ও মহল্লায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, দাঙ্গা ও প্রাননাশের সম্ভাবনা বিদ্যমান রহিয়াছে। এছাড়াও সাতপাড় দীননাথ গয়ালী চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল মজুমদার বিদ্যালয়ের যাবতীয় হিসাব নিকাশের জটিলতা সৃষ্টি করিয়া রাখিয়াছেন। যাহা সরেজমিনে তদন্ত করিলে সত্যতা প্রকাশ পাইবে।
সাতপাড় দীননাথ গয়ালী চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র মজুমদার তার স্ত্রী ও পুত্র পরিজনদের ইতি মধ্যে ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছে। যে কোন সময় বিদ্যালয়ের বড় ধরনের অর্থ আতœসাত করিয়া ভারতে চলিয়া যাইবে বলে স্থানীয় ভাবে সবাই ধারনা করছে।
সাতপাড় দীননাথ গয়ালী চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে অবৈধ শিক্ষক ও দপ্তরী নিয়োগ ও বর্তমান প্রধান শিক্ষকের সকল দুর্নীতি তদন্ত পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা সচিব, জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা), জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সাতপাড় দীননাথ গয়ালী চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র মজুমদারের ব্যবহৃত মোবাইল- ০১৭২৭-১৩০৭১৫ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপনি সাংবাদিক আপনার এ ব্যাপারে মাথা না ঘামালেও চলবে। শিক্ষা প্রশাসনে অনেক লোক আছে প্রয়োজনে তারা এ বিষয়টি দেখবে আপনি চুপচাপ থাকুন। আর এ ব্যাপারটি নিয়ে কোন লেখা লেখি করবেন না। আর লেখা লেখি করেও কোন ফল পাবেন না বলে তিনি ফোনটি কেটে দেন।