গোপালগঞ্জে বালু ব্যবসায়ীদের দৈরাত্ম, যাতায়াতকারীরা চরম ভোগান্তীতে

এম শিমুল খান, গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বালু ব্যবসায়ীদের দৈরাত্মের কারনে মহাসড়কে যাতায়াতকারিরা রয়েছে চরম ভোগান্তীতে।

ঢাকা-ভাটিয়াপাড়া-কালনা ভায়া যশোর-খুলনা সড়কের গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া থেকে কালনা ফেরিঘাট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার মহাসড়ক জুড়ে বালু ব্যাবসায়ীদের দৌরাত্মে প্রতিদিন যানবাহন ও পথচারীরা চরম ভাবে ভোগান্তীর স্বীকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বছরের পর বছর মহাসড়কের দুই পাশে রাস্তার উপর বালু রেখেই রমরমা ব্যবসা করে করে যাচ্ছে ওই সকল প্রভাবশালীরা। জনসাধারণের ভোগান্তী দেখার যেন কেউ নেই বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা-ভাটিয়াপাড়া-কালনা ভায়া যশোর-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া গোলচক্কর থেকে কালনা ফেরিঘাট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশে অর্ধশত বালু ব্যাবসায়ীরা দীর্ঘ দিন যাবত অবৈধ ভাবে সরকারি রাস্তার জায়গা দখল করে বালুর চাতাল তৈরী করে প্রশাসনের বিনা অনুমতিতেই রমরমা ভাবে ব্যবসা করে যাচ্ছে এলাকার কিছু প্রভাবশালীরা।

ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এই সড়কে চলাচলকারি যানবাহন ও সাধারণ মানুষ। যাতায়াতকারি যানবাহন ও পথচারীদের চোখে মুখে বালু উড়ে যাচ্ছে। ওই তিন কিলোমিটার রাস্তার দুই পাশের অর্ধশত বালুর চাতালের বালু রাস্তার অর্ধেক জায়গা দখল করে রেখেছে।
এছাড়াও প্রতিনিয়তই কার্পেটিং রাস্তার অর্ধেক জায়গা দখল করে বালুবাহী ট্রাকগুলি লোড-আনলোড করা হয়ে থাকে। ফলে এই সড়কে চলাচলকারী শত শত বাস, ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেল, ভ্যান রিক্সাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে চরম ভোগান্তীর স্বীকার হচ্ছে। দীর্ঘ দিন যাবত এমন অবস্থা চলতে থাকলেও গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা কার্যকারি কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছে না।

এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার মো: শরিফুল আলম অবস্থার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা আইন শৃংঙ্খলা সভায় তুলেছি। সামনের সভায় আবারও বিষয়টি তুলবো।