গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চীনা বাদাম চাষ

এম শিমুণ খান  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চীনা বাদাম চাষ। অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ভাবে চীনা বাদামের চাষ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে সমগ্র উপজেলায়। এবার চীনা বাদামের ফলন হয়েছে আশাতীত। বাজারে ভালো দাম ও চাহিদা থাকায় বাদাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে চাষীরা। উপজেলার মধুমতি নদীর পাড়ে চর এলাকার মাটি বেলে দোঁআশ যা চিনাবাদাম চাষাবাদের জন্য অত্যান্ত উপযোগী।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৃষি অফিস বাদাম চাষীদের প্রায় ৮০০ কেজি বীজ সরবরাহ করে। এতে কৃষকেরা উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রায় ১৬ হেক্টর জমিতে চীনা বাদামের চাষাবাদ করেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বহুল পরিচিত খাদ্যের সম্পুরক ও একাধিক পুষ্টি গুণ সম্পন্ন চীনা বাদাম জনপ্রিয়তার সাথে চাষ হচ্ছে। চাষীরা টমেটো,আলু, পটল ও অন্যান্য ফসল চাষের পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে চীনা বাদাম চাষ করছে। চলতি মৌসুমে চীনা বাদামের চাষের জন্য আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাষকৃত এ সব ক্ষেতে সন্তোষজনক ফলন হয়েছে।
বাদাম চাষী মনিমহন বলেন , উপজেলা কৃষি অফিস হতে বীজ ও সার পেয়ে বাদামের চাষাবাদ করেছি। এতে অন্য ফসলের চেয়ে বেশি লাভবান হব বলে আশা করছি।
উপজেলার লেবুতলা গ্রামের বাদাম চাষী সুশান্ত জানায়, এবার ১৫ কাঠা জমিতে চীনা বাদাম উৎপাদনে হালচাষ, সার, সেচ, পরিচর্যা ও অন্যান্য বাবদ খরচ হয়েছে প্রায় ৪ হাজার টাকা। সব ঠিকঠাক থাকলে ১৫ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারব।
একই গ্রামের ব্রজেন বিশ্বাস বলেন, ১৫ শতাংশ জমিতে বাদাম চাষ করেছি এখন বৃষ্টি হলে বাদামের ফলন ভাল হত।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ জামাল উদ্দিন জানান, কৃষকরা অত্যন্ত আগ্রহের সাথে চাষাবাদ করেছে। এই ফসলের বাড়বাড়তি সন্তোষজনক। প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হলে কাঠা প্রতি ৪৫ থেকে ৫০ কেজি করে বাদামের ফলন হবে বলে আশা করা যায়।