গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী কবি সুকান্ত মেলা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কবির মুরালের বেদীতে প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান। মেলা চলবে ৪ মার্চ পর্যন্ত।
২০১৩ থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কবির পৈত্রিক ভিটায় এ মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উনশিয়া গ্রামে কবির পৈত্রিক ভিটায় এ মেলাকে ঘিরে উপজেলা ব্যাপী বইছে উৎসবের আমেজ। নবরূপে সেজেছে কবির বাড়ি ও এর আশপাশ এলাকা। কবি ভক্ত ও এলাকাবাসী মেলায় উপস্থিত থেকে মেলাকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। দেশীয় কুটির শিল্প, ঝালমুড়ি, চানাচুর, মিষ্টির দোকান বসেছে এ মেলায়। বসেছে নাগর দোলাসহ বিভিন্ন দোকানও।
মেলা উপলক্ষে প্রতিষ্ঠিত সুকান্ত মঞ্চে শিল্পকলা একাডেমি ও উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করছে প্রতিদিন। এছাড়াও আবহ বাংলার হারিয়ে যাওয়া জারিগান ও সামাজিক যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কবি সুকান্তের পৈত্রিক ভিটায় এ মেলা দেখতে আসে সব বয়স ও শ্রেণি পেশার মানুষ। একই গ্রামের বাসিন্দা হতে পেরে অনেকেই নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। কবিকে স্মরণে রাখতে এবং দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে কবির বাড়িকে ঘিরে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলারও দাবি জানান মেলায় আসা দর্শকরা।
কবিকে স্মরণে রাখতে এবং দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে কবির বাড়িকে ঘিরে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলারও দাবি জানান কোটালীপাড়া উপজেলা উদীচীর সভাপতি অশোক কর্মকার। তিনি বলেন, এর ফলে দেশি ও বিদেশি পর্যটকরা এখানে আসবেন। এলাকার মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
সুকান্ত মেলা আয়োজক কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান বলেন, আগামীতে মেলার কলেবর ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হবে। এখানে একটি পিকনিক স্পট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। তার জন্য কবির বাড়িতে আসার রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কবির নামে স্থাপিত অডিটোরিয়াম কাম লাইব্রেরিতে আরো বইয়ের ব্যবস্থা করা হবে। যাতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থীরা বই পড়ে কবি সম্পর্কে জানতে পারেন।