গুহায় আটকেপড়া কিশোরদের উদ্ধারে গিয়ে ডুবুরির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে গুহার মধ্যে আটকে পড়া ১২ কিশোর ফুটবলার এবং কোচকে উদ্ধারে অংশ নেয়া এক উদ্ধারকর্মী নিহত হয়েছেন। উদ্ধার তৎপরতা চালানোর সময় গুহায় অচেতন হওয়ার পর মারা যান তিনি।

থাই নেভি সিল ইউনিটের সাবেক সদস্য সামারান পুনান গুহায় আটকে পড়া কিশোরদের উদ্ধারকারী দলের সদস্য ছিলেন।

বৃহস্পতিবার রাতে আটকেপড়াদের বের করতে অক্সিজেন ট্যাংক রাখার জন্য গুহায় ঢুকে পড়েন সামারান পুনান। এ সময় অচেতন হয়ে পড়ার পর মৃত্যুবরণ করেন তিনি। খবর রয়টার্সের।

প্রায় ১৩ দিন ধরে ওই গুহায় আটকে আছে ১২ কিশোর ফুটবলার ও তাদের কোচ। ইতিমধ্যে তাদের কাছে খাদ্য ও ওষুধ পৌঁছাতে পেরেছেন উদ্ধারকর্মীরা। এখন তাদের নিরাপদে বের করে আনার উপায় খুঁজছেন তারা।

থাইল্যান্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, গুহায় আটকেপড়াদের উদ্ধারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে চান না তারা। প্রায় দশ দিনের মধ্যে প্রথমবারের মতো খাবার ও ওষুধ পেয়েছে আটকা পড়া কিশোররা।

সাতজন ডুবুরি, যাদের মধ্যে একজন ডাক্তার ও একজন নার্সও ছিলেন, তারা গুহার মধ্যে গিয়ে আটকে থাকা দলটির সঙ্গে দেখা করেছেন।

থাইল্যান্ডের উত্তরে ওই গুহায় আটকা পড়ার নয় দিন পর গত মঙ্গলবার তাদের সন্ধান পান উদ্ধারকর্মীরা।

একটি ফুটবল সেশন শেষে কোচের সঙ্গে গুহার ভেতরে গিয়েছিল ওই ১২ কিশোর। কিন্তু এরপরই প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে তাদের বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। যে গুহায় তারা আটকা পড়েছে, সেটি থাইল্যান্ডের দীর্ঘতম গুহাগুলোর একটি।