গুজবের মামলায় আটক কোটা আন্দোলনের নেতা লুমা রিমান্ডে

তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম পাঁচ দিনের হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। অন্যদিকে লুমার আইনজীবী জায়েদুর রহমান জাহিদ রিমান্ড বাতিল চেয়ে তার মক্কেলের জামিনের আবেদন করেন।

সিরাজগঞ্জের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে আনা লুমাকে বৃহস্পতিবার ঢাকার আদালতে হাজির করে পুলিশ। রমনা থাকার তথ্য প্রযুক্তি আইনের একটি মামলায় তাকে রিমান্ডে চাওয়া হয়।

রিমান্ডের আবেদনে বলা হয়, “আসামি ফেইসবুক টাইমলাইনে অশ্রাব্য ভাষায় পোস্ট দিতেন। যে পোস্ট আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে। আসামির পরিচয় শনাক্ত করা এবং তার সহযোগী কারা, তা জানার জন্য তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি।”

লুমার আইনজীবী বলেন, “আসামি কী স্ট্যাটাস দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছেন বা ঘটানোর চেষ্টা করেছেন, তা সুনি‍র্দিষ্টভাবে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ নেই। সুতরাং রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার কোনো কারণের উদ্ভব হয়নি।”

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম কাজী কামরুল ইসলাম জামিনের আবেদন নাকচ করে এই কলেজ শিক্ষার্থীকে তিন দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠান।

ইডেনছাত্রী লুমা কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার ক্ষিদ্র চাপড়ির চরে দাদার বাড়ি থেকে বুধবার তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলনের সময় গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তথ্য প্রযুক্তি আইনে ঢাকার বিভিন্ন থানায় আটটি মামলা করেছে। এসব মামলায় মোট ২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে, তার মধ্যে লুমা একজন।