গাবতলীতে ঘুষের ১৩হাজার টাকাসহ ভুমি কর্মকর্তা গ্রেফতার

মুহাম্মাদ আবু মুসা : বগুড়া গাবতলীর নাড়–য়ামালা ইউনিয়ন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) আব্দুল হান্নান (৪৫) ঘুষের ১৩হাজার টাকাসহ গ্রেফতার হয়েছেন। রোববার বিকেল পৌনে ৩টায় দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া অফিসের উপ-পরিচালক (ডিডি) মোঃ মনিরুজ্জামান এর তত্বাবধানে ও সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫সদস্যের একটি ডিম অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ঘুষের ১৩হাজার টাকাসহ তাকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত আব্দুল হান্নান বগুড়া সদর উপজেলার বাঘোপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল কাদের এর ছেলে। বর্তমানে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বগুড়া শহরের বউ বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে। ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় দুদক বগুড়া অফিসের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। ওই নাড়–য়ামালা ইউনিয়নের অর্ন্তগত জয়ভোগা গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে মতিউর রহমান মানিক ১৬শতক জমির খাজনা দিতে গেলে সরকারীভাবে ১’শ ৪৩টাকা হলেও তার কাছে ঘুষ হিসেবে আরো ১৩হাজার টাকা দাবী করে। তখন জমির মালিক মতিউর রহমান মানিক নিরুপায় হয়ে ১৪ অক্টোবর ১০৬ নম্বরে কল করে বিষয়টি জানায়। এর ঠিক এক ঘন্টা পরেই বগুড়ার দুদক কর্মকর্তারা মানিককে অফিসে ডেকে নিয়ে বিস্তারিতভাবে শোনেন। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী মানিক গতকাল রোববার বিকেল পৌনে ৩টায় নাড়–য়ামালা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল হান্নানকে ১৩হাজার ১’শ ৪৩টাকা দেয়। আব্দুল হান্নান তখন ১৩হাজার টাকা পকেটস্থ করে শুধুমাত্র ১’শ ৪৩টাকার একটি রশিদ মানিকের হাতে বুঝিয়ে দেয়। এর পরপরই দুদক কর্মকর্তারা নাড়–য়ামালা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রবেশ করে ঘুষের ১৩হাজার টাকাসহ আব্দুল হান্নানকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন। অভিযানে আরো যাঁরা ছিলেন তাঁরা হলেন উপ সহকারী পরিচালক (ডিএডি) ওয়াহিদ মুঞ্জুর সোহাগ, সুদীপ কুমার চৌধুরী, সহকারী পরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান, কনেষ্টবল বাবুল ইসলাম। এ বিষয়ে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বগুড়া অফিসের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত তথ্য নিশ্চিত করেছেন।