গাইবান্ধা-৩ আসনে শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা সংবাদদাতা : গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের সংসদ নির্বাচন শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে। প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছে প্রার্থী ও কর্মীরা। পোষ্টারে-পোষ্টারে ছেয়ে গেছে নির্বাচনী এলাকা। দিন-রাত চলছে প্রচার প্রচারণা। নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের কাছে ছুটছেন প্রার্থীরা।

ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরীর মৃত্যুতে এ আসনে ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ভোটাররা হতাশ হলেও আবারও নতুন আশায় বুক বাধছেন তারা। সুষ্ঠ পরিবেশে যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে চান তারা।

আগামী ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে স্থগিত হওয়া গাইবান্ধা-৩ আসনের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনী গরম হাওয়া বইতে শুরু করেছে এ আসনের দুই উপজেলার পাড়া মহল্লা ও চায়ের দোকানে। প্রার্থীর পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরা দলবেধে ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে দিচ্ছেন নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।

মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও গত ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপি, মামলা ও ভয়ভীতির অভিযোগ এনে বিএনপিসহ ৩ প্রার্থী তাদের মনোয়নয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেয়। এখন আওয়ামী লীগ, জাতীয়পার্টি ও জাসদ (ইনু) এবং স্বতন্ত্র দুই জনসহ ৫ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ডা: ইউনুস আলী সরকার, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হয়েছেন ব্যারিষ্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী, জাসদ (ইনু) মশাল প্রতীকের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম খুদি, স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহিদ হোসেন নিউ সিংহ প্রতীক এবং আম প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মিজানুর রহমান তিতু।

আগামী ২৭ জানুয়ারি ১৩২ কেন্দ্রের মাধ্যমে দুইটি উপজেলায় চার লাখ ১১ হাজার ৮শ ৫৪জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।