গাইবান্ধায় সুইসাইড লেটারসহ স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধা থেকে আঃ খালেক মন্ডলঃ গাইবান্ধা সদর উপজেলায় নুশরাত জাহান ঐশী (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় একটি সুইসাইড লেটার পাওয়া গেছে। তবে সুইসাইড লেটারে কি লেখা ছিল তা এখনো সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে গাইবান্ধা শহরের ব্রীজ রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঐশী গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ঐশীর বাবা বকসী মো. আবুল কালাম আজাদ ওরফে লিটন রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তাদের দুই সন্তান। এর মধ্য ঐশী ছোট। প্রায় আড়াই মাস ধরে ব্রীজ রোড এলাকার নজরুল ইসলামের বাড়ী ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। ব্যবসার কাজে গত কয়েকদিন থেকে ঐশীর বাবা গ্রামের বাড়ী পীরগাছায় অবস্থান করছেন। মা ডাক্তার দেখাতে বৃহস্পতিবার সকালে পীরগাছায় গেছেন। বিকেল সাড়ে পাচঁটার দিকে ঐশীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে না পেয়ে ওর মা বাড়ীর মালিকের সাথে যোগাযোগ করে।
বাড়ীর মালিক নজরুল ইসলাম বলেন, বিকেলে ঐশীর মোবাইল ফোনে ওর মা ওকে না পেয়ে পরে আমার মোবাইলে ফোন দেন। এরপর আমিসহ বাড়ীর লোকজন জানালা দরজায় শব্দ করি। কিন্তু কোন আওয়াজ পাওয়া যায়নি। তখন আমি ঐশীর মাকে দ্রুত বাসায় আসতে বলি। পরে ওর মা রাত ৯টার দিকে বাসায় আসলে রুমের দরজা ভেঙ্গে খো যায় ঐশী সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।
গাইবান্ধা সদর থানা অফিসার ইনচার্জ খানঁ মো. শাহরিয়ার মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঐশীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। ঐশীর বাবা মা ও বাড়ীর মালিকসহ স্থানীয় সুধীমহলের কোন অভিযোগ না থাকায় ঐশীর লাশ তার বাবার কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।