গাইবান্ধায় শিশু ধর্ষনের চেষ্টা মামলায়, ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

আঃ খালেক মন্ডল, গাইবান্ধা থেকে : সদর উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদলের বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী (১৪) কে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শফিকুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
মামলা সুত্রে জানা গেছে, নির্যাতিত ওই শিশুর চাচা বাদি হয়ে গত ৩ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল সদর উপজেলার লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েরও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তিনি পার্শ্ববর্তী মৌজা মালীবাড়ী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
লেংগাবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বাদল তার স্কুলের ওই ছাত্রীকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতো। এ বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে পরিবারিকভাবে পার্শ্ববর্তী খোর্দ্দ মালিবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেয়া হয় ওই মেয়েটিকে। এরপরেও রাস্তা-ঘাটে মোস্তাফিজুর তাকে নানাভাবে উত্যক্ত করে আসছিল।
অভিযোগ রয়েছে গত ২৭ মে রাতে মোস্তাফিজুর রহমান বাদল মেয়েটির বাড়িতে আসে। এসময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তিনি মেয়েটির ঘরে ঢুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে মোস্তাফিজুর রহমান মোটরসাইকেল নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরিফুল ইসলাম জানান, আত্মসমর্পনের পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্শেন দিয়েছেন। এছাড়া মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত থেকে শিশু আদালতে নেয়ার জন্য বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন। মামলাটির শুনানী আজ বুধবার (৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত হবে।