গাইবান্ধার ২৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা সংবাদদাতা : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার চারটি আসনে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী ৩০ জনের মধ্যে ২৪ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় ওইসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তাদের মধ্যে বিএনপির ১ জন, জাতীয় পার্টির ২, সিপিবির ২, বাসদের ১ ও স্বতন্ত্র ৪ জনসহ মোট ২৪ প্রার্থী।

তাদের মধ্যে- গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ৯ জন। তারা হলেন বাসদের গোলাম রব্বানী শাহ (১২৩ ভোট), গণফ্রন্টের শরিফুল ইসলাম (২০১ ভোট), গণতন্ত্রী পার্টির আবুল বাশার মো. শরিতুল্লাহ (৪৬৪ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আশরাফুল ইসলাম খন্দকার (১,৪০০ ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ (১৭৫ ভোট), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের হাফিজুর রহমান সরদার (১৬৪ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কাদের খান (১,৫২৯ ভোট), আফরুজা বারী (৩৯৪ ভোট) ও এমদাদুল হক (১৯৬ ভোট)।

এ আসনে বিজয়ী জাতীয় পার্টি শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ঐক্যফ্রন্ট-ধানের শীষ প্রার্থী মাজেদুর রহমান জামানত ফেরত পাবেন।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে সিপিবির মিহির কুমার ঘোষ (৩,৪০৭ ভোট), এনপিপির জিয়া জামান খান (২১৩ ভোট), ইসলামী আন্দোলনের মো. আল আমীন (২,২৮৯ ভোট), ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা যুবায়ের আহমদ (৩২৭ ভোট) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মকদুবর রহমানের (১৭৬ ভোট) জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত ফেরত পাবেন বিজয়ী প্রার্থী আওয়ামী লীগ নৌকা প্রতীকের মাহাবুব আরা বেগম গিনি ও তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির আব্দুর রশিদ সরকার।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন জাতীয় পার্টির কাজী মো. মশিউর রহমান (৫,৭১৭ ভোট), এনপিপির খন্দকার মো. রাশেদ (৮৪৮ ভোট), জাকের পার্টির আবুল কালাম (১,৬২১ ভোট), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ছামিউল আলম (১,২৫০ ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সানোয়ার হোসেন (১,১৬৬ ভোট) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন (৫,৩২১ ভোট)।

এ আসনে জামানত ফেরত পাবেন বিজয়ী প্রার্থী আওয়ামী লীগের মনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারান বিএনপি ধানের শীষের ফারুক আলম সরকার (১৯,৯৯৬ ভোট), জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) এর এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু (৯,২৩১ ভোট), সিপিবির যজ্ঞেশ্বর বর্মন (৩০৪ ভোট) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল (৭২০ ভোট)।

জামানত ফেরত পাবেন বিজয়ী প্রার্থী (আওয়ামী লীগ নৌকা) মো. ফজলে রাব্বী মিয়া।

জেলা প্রাশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল মতিন বলেন, নির্বাচনের আগে প্রত্যেক প্রার্থীর জামানত হিসেবে ২০ হাজার টাকা করে জমা নেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশের নিচে কেউ ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।