খুলনায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

বি এ রাকিব হাসান, খুলনা বিশেষ প্রতিনিধি : গতকাল খুলনায় স্মার্ট কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১টায় স্মাট কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম এবং বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী (অবঃ) উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে খুলনার দুই এমপি ও মেয়রসহ ২৩ বিশিষ্টজনকে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়। আগামী ২০ জুলাই থেকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকার ভোটারদেরকে স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে। চলবে ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত।
স্মার্ট কার্ড পেলেন যারা : খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান মিজান, খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, কেসিসি’র মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ, বিএল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাফর ইমাম, খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজী আমিনুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের মহানগর ইউনিট কমান্ডার অধ্যাপক আলমগীর কবির, মুক্তিযোদ্ধা এড. এনায়েত আলী, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ফেরদৌসী আলী, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় শেখ মোঃ আসলাম, সিটি মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান ডাঃ সৈয়দ আবু আসফার, খুমেকের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডাঃ ফৌজিয়া বেগম, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আসাদুর রহমান, গৃহিনী আরজাহান বানু, খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম হাবিব, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহবুব কায়সার, ৫নং সংরক্ষিত কাউন্সিলর মোছাঃ আনজিরা খাতুন, খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি মোঃ সালেহ, বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের নগর শাখার সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, সৈয়দ ফাইজ নাসিম, নুজরত নাজ ও এবিএম নাহিদ হাসান।
জেলা নির্বাচন অফিসের প্রস্তুত করা তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ জুলাই থেকে মহানগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথমেই ২০ জুলাই থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সদর থানা এলাকার বাসিন্দাদের স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে। এরপর ১ নভেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দৌলতপুর থানা, ১৭ ডিসেম্বর থেকে ২২ ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত খালিশপুর থানা ও ২৪ ফেব্র“য়ারি থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার বাসিন্দাদের স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হবে। তবে প্রয়োজনে সময় পরিবর্তন করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মহানগরীর বাসিন্দাদের প্রথমে বিতরণের জন্য গত ৯ এপ্রিল স্মার্ট কার্ড খুলনায় আসে। কিন্তু প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না আসায় তিন মাস ধরে কার্ডগুলো বাক্সবন্দী ছিল। স্মার্ট কার্ড বিতরণের সময় প্রত্যেক ভোটারের দুই হাতের ১০ আঙুলের ছাপ, চোখের রেটিনা স্ক্যান করা হবে। এজন্য স্মাটকার্ড নিতে ভোটারদের পুরোনো কার্ড সঙ্গে নিয়ে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে যেতে হবে। সেখানে স্ক্যান শেষে তারা নতুন স্মাট কার্ড হাতে পাবেন। ২০১৩ সালের পূর্বে যারা ভোটার হয়েছেন অর্থাৎ ছবিসহ ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন তারাই প্রথমে স্মাট কার্ড পাবেন। মহানগরীতে বিতরণের পর জেলার বাকি উপজেলা ও পৌরসভায় এসব কার্ড বিতরণ করার কথা রয়েছে।

Inline
Inline